৯/২২৫. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১২৫৪ - মুহাররমের রোজা ও রাতের নামাজ
মুহাররম, শা‘বান তথা অন্যান্য হারাম (পবিত্র) মাসে রোযা রাখার ফযীলত
মুহাররমের রোজা ও রাতের নামাজ: নফল ইবাদতের মর্যাদা
রিয়াদুস সালেহীন : ১/১২৫৪
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ১/১২৫৪
وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَال رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ«أَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ رَمَضَانَ: شَهْرُ اللهِ المُحَرَّمُ، وَأَفْضَلُ الصَّلاَةِ بَعدَ الفَرِيضَةِ: صَلاَةُ اللَّيْلِ» . رواه مسلم
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “মাহে রমজানের পর সর্বোত্তম রোজা, আল্লাহর মাস মুহাররম। আর ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ রাতের (তাহাজ্জুদ) নামাজ।” (মুসলিম)[১]
মুসলিম ১১৬৩, তিরমিযী ৪৩৮, ৭৪০, আবূ দাউদ ২৪২৯, ইবনু মাজাহ ১৭৪২, আহমাদ ৭৯৬৬, ৮১৫৮, ৮৩০২, ৮৩২৯, ১০৫৩২, দারেমী ১৭৫৭, ১৭৫৮
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ১/১২৫৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুটি নফল ইবাদতের বিশেষ মর্যাদা বলেছেন। রমযানের পর সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর মাস মুহাররমের রোজা। আর ফরয নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হলো রাতের নামাজ। এখানে রমযানের ফরয রোজা বা পাঁচ ওয়াক্ত ফরয নামাজের জায়গা কমানো হয়নি; বরং ফরযের পর নফল আমলের একটি উত্তম দিক দেখানো হয়েছে। নফল রোজা রাখতে চাইলে মুহাররম মাস বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার যোগ্য। আবার অতিরিক্ত নামাজের ক্ষেত্রে রাতের নামাজ বা তাহাজ্জুদকে মর্যাদাপূর্ণ বলা হয়েছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ফরয ইবাদত ঠিক রাখার সঙ্গে সঙ্গে সুযোগ অনুযায়ী নফল ইবাদতও জীবনে জায়গা পেতে পারে। মুহাররমের রোজা, তাহাজ্জুদ নামাজ এবং নফল ইবাদতের ফজিলত—এই হাদিসের মূল বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমযানের পর মুহাররমের রোজার বিশেষ মর্যাদা আছে।
- ফরয নামাজের পর রাতের নামাজকে উত্তম বলা হয়েছে।
- নফল ইবাদত ফরযের বিকল্প নয়, বরং ফরযের পর বাড়তি আমল।
