১০/২৩২. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১২৭৮ - শেষ বছরে বিশ দিনের ইতিকাফ
রমযান মাসে ই‘তিকাফ সম্পর্কে
শেষ বছরে বিশ দিনের ইতিকাফ: নবীজির বাড়তি আমলের শিক্ষা
রিয়াদুস সালেহীন : ৩/১২৭৮
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৩/১২৭৮
وَعَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَعْتَكِفُ فِي كُلِّ رَمَضَانَ عَشْرَةَ أَيَّامٍ، فَلَمَّا كَانَ العَامُ الَّذِي قُبِضَ فِيهِ اعْتَكَفَ عِشْرِينَ يَوْماً. رواه البخاري
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, ’নবী (ﷺ) প্রত্যেক রমজান মাসের (শেষ) দশদিন ইতিকাফ করতেন। তারপর যে বছরে তিনি মারা যান, সে বছরে বিশ দিন ইতিকাফ করেছিলেন।’ (বুখারী)[১]
সহীহুল বুখারী ২০৪৪, ৪৯৯৮, তিরমিযী ৭৯০, আবূ দাউদ ২৪৬৬, ইবনু মাজাহ ১৭৬৯, আহমাদ ৭৭২৬, ৮২৩০, ৮৪৪৮, ৮৯৫৯, দারেমী ১৭৭৯
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৩/১২৭৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) প্রত্যেক রমযান মাসে দশ দিন ইতিকাফ করতেন। কিন্তু যে বছরে তিনি মারা যান, সে বছরে তিনি বিশ দিন ইতিকাফ করেছিলেন। এখানে ইতিকাফের নিয়মিত আমল এবং শেষ বছরে বেশি সময় ইতিকাফ করার তথ্য এসেছে। হাদিসটি রমযানের শেষ দশক, ইতিকাফ এবং ইবাদতের যত্ন সম্পর্কে গভীর শিক্ষা দেয়। তবে এখানে কারণ বিস্তারিত বলা হয়নি, তাই আমরা কোনো নির্দিষ্ট কারণ যোগ করব না। যারা বিশ দিনের ইতিকাফ, নবীজির শেষ রমযান, বা ইতিকাফের হাদিস খোঁজ করেন, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখায়, নবীজি (صلى الله عليه وسلم) ইতিকাফকে ধারাবাহিকভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم) প্রতি রমযানে দশ দিন ইতিকাফ করতেন।
- মৃত্যুর বছরে তিনি বিশ দিন ইতিকাফ করেছিলেন।
- ইতিকাফ ছিল নবীজির নিয়মিত রমযানি আমল।
- বর্ণনায় যে তথ্য আছে, কারণ নির্ধারণে তার বাইরে যাওয়া ঠিক নয়।
