১/১৪. অধ্যায়ঃ

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৯/১৫৪ - দাউদী রোযা ও ইবাদতে ভারসাম্য

ইবাদতে মধ্যমপন্থা অবলম্বন

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,﴾ طه ١ مَآ أَنزَلۡنَا عَلَيۡكَ ٱلۡقُرۡءَانَ لِتَشۡقَىٰٓ ٢ ﴿ [طه: ١، ٢]অর্থাৎ “ত্বা-হা-। তোমাকে কষ্ট দেওয়ার জন্য আমি তোমার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ করিনি।” (সূরা ত্বাহা ১-২ আয়াত)তিনি আরো বলেন,﴾ يُرِيدُ ٱللَّهُ بِكُمُ ٱلۡيُسۡرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ ٱلۡعُسۡرَ ﴿ [البقرة: ١٨٥]অর্থাৎ “আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের জন্য সহজ করতে চান, তোমাদের জন্য কঠিনতা তাঁর কাম্য নয়।” (সূরা বাক্বারাহ ১৮৫ আয়াত)

দাউদী রোযা: রোযা, কুরআন ও জীবনের ভারসাম্য

রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৯/১৫৪

وعن أبي محمد عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما قال: أخبر النبي ﷺ أني أقول: والله لأصومن النهار، ولأقومن الليل ماعشت، فقال رسول الله ﷺ : أنت الذي تقول ذلك؟ فقلت له: قد قلته بأبى أنت وأمى يا رسول الله. قال: «فإنك لا تستطيع ذلك؛ فصم وأفطر، ونم وقم، وصم من الشهر ثلاثة أيام فإن الحسنة بعشر أمثالها، وذلك مثل صيام الدهر» قلت: فإنى أطيق أفضل من ذلك قال: فصم يوما وأفطر يومين، قلت: فإنى أطيق أفضل من ذلك، قال: «فصم يوماً وأفطر يوماً، فذلك صيام داود ﷺ، وهو أعدل الصيام». وفي رواية: «وهو أفضل الصيام» فقلت : فإني أطيق أفضل من ذلك. فقال رسول الله ﷺ: «لا أفضل من ذلك» ولأن أكون قبلت الثلاثة الأيام التي قال رسول الله ﷺ أحب إلي من أهلي وما لي. وفي رواية: «ألم أخبر أنك تصوم النهار وتقوم الليل؟» قلت : بلى يا رسول الله قال: «فلا تفعل: صم وأفطر، ونم وقم فإن لجسدك عليك حقاً، وإن لعينيك عليك حقاً، وإن لزوجك عليك حقاً، وإن لزورك عليك حقاً، وإن بحسبك أن تصوم في كل شهر ثلاثة أيام، فإن لك بكل حسنة عشر أمثالها، فإن ذلك صيام الدهر» فشددت فشدد علي، قلت: يا رسول الله إني أجد قوة، قال: «صم صيام نبي الله داود ولا تزد عليه» قلت: وما كان صيام داود؟ قال: «نصف الدهر» فكان عبد الله يقول بعدما كبر: يا ليتني قبلت رخصة رسول الله ﷺ. وفي رواية: «ألم أخبر أنك تصوم الدهر، وتقرأ القرآن كل ليلةٍ؟‍‍‍‍‍‍" فقلت: بلى يا رسول الله، ولم أرد بذلك إلا الخير قال: «فصم صوم نبي الله داود، فإنه كان أعبد الناس، واقرأِ القرآن كل شهرٍ» قلت: يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك؟ قال: «فاقرأه في كل عشرين» قلت: يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك؟ قال: «فاقرأه في كل عشر» قلت يا نبي الله إني أطيق أفضل من ذلك؟ قال: «فاقرأه في كل سبع ولا تزد على ذلك». فشددت فشدد علي، وقال لي النبي ﷺ: «إنك لا تدري لعلك يطول بك عمر» قال: فصرت إلى الذي قال لي النبي ﷺ، فلما كبرت وددت أني كنت قبلت رخصة نبي الله ﷺ. وفي رواية: «وإن لولدك عليك حقاً» وفي رواية: «لا صام من صام الأبد» ثلاثاً. وفي رواية: «أحب الصيام إلى الله تعالى صيام داود، وأحب الصلاة إلى الله تعالى صلاة داود: كان ينام نصف الليل، ويقوم ثلثه، وينام سدسه، وكان يصوم يوما ويفطر يوماً، ولا يفر إذا لاقى».وفي رواية: أنكحني أبي امرأة ذات حسب، وكان يتعاهد كنته-أي : امرأة ولده- فيسألها عن بعلها، فتقول له : نعم الرجل من رجل لم ييطأ لنا فراشاً ولم يفتش لنا كنفاً منذ أتيناه. فلما طال ذلك عليه ذكر ذلك للنبي ﷺ. فقال: «القنى به» فلقيته بعد ذلك فقال: «كيف تصوم؟» قلت كل يوم، قال: «وكيف تختم؟» قلت: كل ليلةٍ، وذكر نحون ما سبق، وكان يقرأ على بعض أهله السبع الذي يقرؤه، يعرضه من النهار ليكون أخف عليه بالليل، وإذا أراد أن يتقوى أفطر أياماً وأحصى وصام مثلهن كراهية أن يترك شيئاً فارق عليه النبي ﷺ.كل هذه الروايات صحيحة معظمها في الصحيحين وقليل منها في أحدهما. .

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্‌র ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ)-কে আমার ব্যাপারে সংবাদ দেওয়া হল যে, আমি বলছি, ’আল্লাহর কসম! আমি যতদিন বেঁচে থাকব ততদিন দিনে রোজা রাখব এবং রাতে নফল নামাজ পড়ব।’ সুতরাং রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বললেন, ’’তুমি এ কথা বলছ?’’ আমি তাঁকে বললাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! নিঃসন্দেহে আমি এ কথা বলেছি, আমার পিতা-মাতা আপনার জন্য কুরবান হোক।’ তিনি বললেন, ’’তুমি এর সাধ্য রাখ না। অতএব তুমি রোজা রাখ এবং (কখনো) ছেড়েও দাও। অনুরূপ (রাতের কিছু অংশে) ঘুমাও এবং (কিছু অংশে) নফল নামাজ পড় ও মাসে তিন দিন রোজা রাখ। কারণ, নেকীর প্রতিদান দশগুণ রয়েছে। তোমার এই রোজা জীবনভর রোজা রাখার মত হয়ে যাবে।’’আমি বললাম, ’আমি এর অধিক করার শক্তি রাখি।’ তিনি বললেন, ’’তাহলে তুমি একদিন রোজা রাখ, আর দুদিন রোজা ত্যাগ কর।’’ আমি বললাম, ’আমি এর বেশি করার শক্তি রাখি।’ তিনি বললেন, ’’তাহলে একদিন রোজা রাখ, আর একদিন রোজা ছাড়। এ হল দাঊদ ’আলাইহিস সালাম-এর রোজা। আর এ হল ভারসাম্যপূর্ণ রোজা।’’অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, ’’এটা সর্বোত্তম রোজা।’’ কিন্তু আমি বললাম, ’আমি এর চেয়ে বেশি (রোজা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম) রাখার ক্ষমতা রাখি।’ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, ’’এর চেয়ে উত্তম রোজা আর নেই।’’ (আব্দুল্লাহ বলেন,) ’যদি আমি রাসূল (ﷺ)-এর নির্দেশ অনুযায়ী (প্রত্যেক মাসে) তিন দিন রোজা রাখার পদ্ধতি গ্রহণ করতাম, তাহলে তা আমার নিকট আমার পরিবার ও সম্পদ অপেক্ষা প্রিয় হত।’অন্য এক বর্ণনায় আছে, (নবী (ﷺ) আমাকে বললেন,) ’’আমি কি এই সংবাদ পাইনি যে, তুমি দিনে রোজা রাখছ এবং রাতে নফল নামাজ পড়ছ?’’ আমি বললাম, ’সম্পূর্ণ সত্য, হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, ’’পুনরায় এ কাজ করো না। তুমি রোজাও রাখ এবং (কখনো) ছেড়েও দাও। নিদ্রাও যাও এবং নামাজও পড়। কারণ তোমার উপর তোমার দেহের অধিকার আছে। তোমার উপর তোমার চক্ষুদ্বয়ের অধিকার আছে। তোমার উপর তোমার স্ত্রীর অধিকার আছে এবং তোমার উপর তোমার অতিথির অধিকার আছে। তোমার জন্য প্রত্যেক মাসে তিন দিন রোজা রাখা যথেষ্ট। কেননা, প্রত্যেক নেকীর পরিবর্তে তোমার জন্য দশটি নেকী রয়েছে আর এটা জীবনভর রোজা রাখার মত।’’ কিন্তু আমি কঠোরতা অবলম্বন করলাম। যার ফলে আমার উপর কঠিন করে দেওয়া হল।আমি বললাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! আমি সামর্থ্য রাখি।’ তিনি বললেন, ’’তুমি আল্লাহর নবী দাউদ ’আলাইহিস সালাম-এর রোজা রাখ এবং তার চেয়ে বেশি করো না।’’ আমি বললাম, ’দাউদের রোজা কেমন ছিল?’ তিনি বললেন, ’’অর্ধেক জীবন।’’ অতঃপর আব্দুল্লাহ বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর বলতেন, ’হায়! যদি আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর অনুমতি গ্রহণ করতাম (তাহলে কতই না ভাল হত)!’আর এক বর্ণনায় আছে, (নবী (ﷺ) আমাকে বললেন,) ’’আমি সংবাদ পেয়েছি যে, তুমি সর্বদা রোজা রাখছ এবং প্রত্যহ রাতে কোরআন (খতম) পড়ছ।’’ আমি বললাম, ’(সংবাদ) সত্যই, হে আল্লাহর রাসূল! কিন্তু এতে আমার উদ্দেশ্য ভাল ছাড়া অন্য কিছু নয়।’ তিনি বললেন, ’’তুমি আল্লাহর নবী দাউদের রোজা রাখ। কারণ, তিনি লোকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইবাদতগুযার ছিলেন। আর প্রত্যেক মাসে (একবার কোরআন খতম) পড়।’’ আমি বললাম, ’হে আল্লাহর নবী! আমি এর অধিক করার শক্তি রাখি।’ তিনি বললেন, ’’তাহলে তুমি কুড়ি দিনে (কোরআন খতম) পড়।’’ আমি বললাম, ’হে আল্লাহর নবী! আমি এর থেকে বেশি করার সামর্থ্য রাখি।’ তিনি বললেন, ’’তাহলে তুমি প্রত্যেক দশদিনে (কোরআন খতম) পড়।’’আমি বললাম, ’হে আল্লাহর নবী! আমি এর চেয়েও বেশি ক্ষমতা রাখি।’ তিনি বললেন, ’’তাহলে তুমি প্রত্যেক সাতদিনে (খতম) পড় এবং এর বেশি করো না (অর্থাৎ এর চাইতে কম সময়ে কোরআন খতম করো না।)’’ কিন্তু আমি কঠোরতা অবলম্বন করলাম। যার ফলে আমার উপর কঠিন করে দেওয়া হল। আর নবী (ﷺ) আমাকে বলেছিলেন, ’’তুমি জান না, সম্ভবত তোমার বয়স সুদীর্ঘ হবে।’’ আব্দুল্লাহ বলেন, সুতরাং আমি ঐ বয়সে পৌঁছে গেলাম, যার কথা নবী (ﷺ) আমাকে বলেছিলেন। অবশেষে আমি যখন বৃদ্ধ হয়ে গেলাম, তখন আমি আকাঙ্ক্ষা করলাম, হায়! যদি আমি আল্লাহর নবী (ﷺ)-এর অনুমতি গ্রহণ করে নিতাম।অন্য এক বর্ণনায় আছে, (নবী (ﷺ) আমাকে বললেন,) ’’আর তোমার উপর তোমার সন্তানের অধিকার আছে---।’’ অন্য এক বর্ণনায় আছে, ’’তার কোন রোজা নেই (অর্থাৎ রোজা বিফল যাবে) সে সর্বদা রোজা রাখে।’’ এ কথা তিনবার বললেন। অন্য এক বর্ণনায় আছে, ’’আল্লাহর নিকট প্রিয়তম রোজা হচ্ছে দাউদ ’আলাইহিস সালাম-এর রোজা এবং আল্লাহর নিকট প্রিয়তম নামাজ হচ্ছে দাউদ ’আলাইহিস সালাম-এর নামাজ। তিনি মধ্য রাতে শুতেন এবং তার তৃতীয় অংশে নামাজ পড়তেন এবং তার ষষ্ঠ অংশে ঘুমাতেন। তিনি একদিন রোজা রাখতেন ও একদিন রোজা ছাড়তেন। আর যখন শত্রুর সামনা-সামনি হতেন তখন (রণভূমি হতে) পলায়ন করতেন না।’’আরও এক বর্ণনায় আছে, (আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর) বলেন, আমার পিতা আমার বিবাহ এক উচ্চ বংশের মহিলার সঙ্গে দিয়েছিলেন। তিনি পুত্রবধূর প্রতি খুবই লক্ষ্য রাখতেন। তিনি তাকে তার স্বামী সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন। সে বলত, ’এত ভালো লোক যে, সে কদাচ আমার বিছানায় পা রাখেনি এবং যখন থেকে আমি তার কাছে এসেছি, সে কোনদিন আবৃত জিনিস স্পর্শ করেনি (অর্থাৎ মিলনের ইচ্ছাও ব্যক্ত করেনি।)’ যখন এই আচরণ অতি লম্বা হয়ে গেল, তখন তিনি (আব্দুল্লাহর পিতা) এ কথা নবী (ﷺ)-কে জানালেন।অতঃপর তিনি বললেন, ’’তাকে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বল।’’ সুতরাং পরবর্তীতে আমি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, ’’তুমি কিভাবে রোজা রাখ?’’ আমি বললাম, ’প্রত্যেক দিন।’ তিনি বললেন, ’’কিভাবে কোরআন খতম কর?’’ আমি বললাম, ’প্রত্যেক রাতে।’ অতঃপর তিনি ঐ কথাগুলি বর্ণনা করলেন, যা পূর্বে গত হয়েছে।তিনি (আব্দুল্লাহ ইবনু ’আমর) তাঁর পরিবারের কাউকে (কোরআনের) ঐ সপ্তম অংশ পড়ে শুনাতেন, যা তিনি (রাতের নফল নামাজে) পড়তেন। দিনের বেলায় তিনি তা পুনঃ পড়ে নিতেন, যাতে তার তার উপর সহজ হয়। আর যখন তিনি শক্তিমান হতে চাইতেন তখন কয়েকদিন রোজা ভাঙতেন আর গুনে রাখতেন, তারপর সে দিনগুলোর অনুপাতে রোজা রাখতেন, যাতে করে রাসূল (ﷺ) তাকে যে অবস্থার উপর ছেড়েছেন সে অবস্থার ব্যতিক্রম হয় এমন অপছন্দনীয় কাজ সংঘটিত না হয়।এ বর্ণনাগুলো সবই সহীহ বর্ণনা; যার বেশিরভাগই বুখারী ও মুসলিমে এসেছে অথবা এ দুটির একটিতে আছে।[১]

সহীহুল বুখারী ১৯৭৬, ১১৩১, ১১৩২, ১১৫৩, ১৯৭৪, ১৯৭৫, ১৯৭৭, ১৯৭৮, ১৯৭৯, ১৯৮০, ৩৪১৮, ৩৪১৯, ৩৪২০, ৫০৫২, মুসলিম ১১৫৯, তিরমিযী ৭৭০, নাসায়ী ১৬৩০, ২৩৪৪, ২৩৮৮, ২৩৮৯, ২৩৯০, ২৩৯১, ২৩৯২, ২৩৯৩, ২৩৯৬, ২৩৯৪, ২৩৯৭, ২৩৯৯, আবূ দাউদ ১৩৮৮, ১৩৮৯, ১৩৯০, ১৩৯১, ১৪২৭, ২৪৪৮, ইবনু মাজাহ ১৩৪৬, ১৭১২, আহমাদ ৬৪৪১, ৬৪৫৫, ৬৪৮০, ৬৪৯১, ৬৭২১

রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৯/১৫৪-এর সারসংক্ষেপ

এই দীর্ঘ হাদিসে আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-এর ইবাদতের আগ্রহের কথা এসেছে। তিনি প্রতিদিন রোযা রাখা, সারারাত নামাজ পড়া এবং ঘন ঘন কুরআন খতম করার ইচ্ছা করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তাকে বুঝালেন, তার শরীর, চোখ, স্ত্রী, অতিথি ও সন্তানের হক আছে। তিনি মাসে তিন দিন রোযার কথা বললেন, পরে দাউদী রোযার কথা জানালেন—একদিন রোযা, একদিন বিরতি। কুরআন খতমের ক্ষেত্রেও তিনি সাত দিনের কমে না যেতে বললেন। এখানে দাউদী রোযা ও ইবাদতে ভারসাম্যের শিক্ষা এসেছে। অতিরিক্ত কঠোরতা প্রথমে ভালো মনে হলেও পরে কষ্টের কারণ হতে পারে। তাই ইবাদত এমন হওয়া দরকার যা শরীর, পরিবার ও দায়িত্বের সঙ্গে মিল রেখে চলতে পারে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নফল রোযা ও নামাজে নিজের শক্তি বুঝে চলা দরকার।
  • শরীর, চোখ, স্ত্রী, অতিথি ও সন্তানের অধিকার আছে।
  • দাউদী রোযা ভারসাম্যপূর্ণ রোযার একটি বড় শিক্ষা দেয়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন