৭/১৪৪. অধ্যায়ঃ
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৪/৯০২ - রোগী দেখা ও বন্দী মুক্তির নির্দেশ
রোগীকে সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞাসাবাদ করার মাহাত্ম্য
রোগী দেখা, ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়া ও বন্দী মুক্তির হাদিস
রিয়াদুস সালেহীন : ৪/৯০২
রিয়াদুস সালেহীনহাদিস নম্বর ৪/৯০২
وَعَنْ أَبي مُوسَى رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ﷺ: «عُودُوا المَريضَ، وَأطْعِمُوا الجَائِعَ، وَفُكُّوا العَانِي». رواه البخاري
আবূ মূসা আশআরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ’’তোমরা রোগী দেখতে যাও, ক্ষুধার্তকে অন্ন দাও এবং বন্দীকে মুক্ত কর।’’ (বুখারী) [১]
সহীহুল বুখারী ৩০৪৬, ৫১৭৪, ৫৩৭৩, ৫৬৪৯, ৭১৭৩, আবূ দাউদ ৩১০৫, আহমাদ ১৯০২৩, ১৯১৪৪, দারেমী ২৪৬৫
রিয়াদুস সালেহীন হাদিস ৪/৯০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু এর শিক্ষা অনেক বড়। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তিনটি কাজের নির্দেশ দিয়েছেন: রোগী দেখতে যাওয়া, ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়া এবং বন্দীকে মুক্ত করা। রোগী দেখার ফজিলত এখানে সরাসরি নির্দেশের মাধ্যমে বোঝা যায়। একজন মুসলিম শুধু নিজের ইবাদত নিয়ে ব্যস্ত থাকবে না; সমাজের দুর্বল, অসুস্থ, ক্ষুধার্ত ও বিপদে থাকা মানুষের প্রতিও তার দায়িত্ব আছে। ক্ষুধার্তকে অন্ন দান করা মানুষের কষ্ট কমায়। বন্দীকে মুক্ত করা বলতে অন্যায়ভাবে আটকে থাকা বা মুক্তির প্রয়োজন আছে এমন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা বোঝা যায়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইসলামে দয়া, সহানুভূতি ও বাস্তব সাহায্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অসুস্থ মানুষকে দেখতে যাওয়া নবী صلى الله عليه وسلم-এর নির্দেশিত কাজ।
- ক্ষুধার্তকে খাবার দেওয়া মুসলিম চরিত্রের অংশ।
- বিপদে থাকা মানুষের মুক্তির চেষ্টা করা প্রশংসনীয় কাজ।
- ইসলাম শুধু কথা নয়, বাস্তব সাহায্যকেও গুরুত্ব দেয়।
