২৯/১. অধ্যায়ঃ
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الأَسْوَدِ الْبَغْدَادِيُّ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ ثَابِتٍ، قَالَ : أَخْرَجَ إِلَيْنَا أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَدَحَ خَشَبٍ , غَلِيظًا , مُضَبَّبًا بِحَدِيدٍ , فَقَالَ : «يَا ثَابِتُ، هَذَا قَدَحُ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ».
তিনি বলেন, একবার আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) লোহার পাত লাগানো কাঠের মোটা একটি পেয়ালা আমাদের নিকট বের করলেন। তারপর বললেন, সাবিত! এ হচ্ছে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পেয়ালা।[১]
[১] শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০৩৩।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، قَالَ : أَنْبَأَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، قَالَ : أَنْبَأَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، قَالَ : أَنْبَأَنَا حُمَيْدٌ، وَثَابِتٌ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ : «لَقَدْ سَقَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ , بِهَذَا الْقَدَحِ الشَّرَابَ كُلَّهُ ، الْمَاءَ , وَالنَّبِيذَ , وَالْعَسَلَ , وَاللَّبَنَ».
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) -কে এ পেয়ালা দ্বারা যাবতীয় পানীয় তথা নাবীয, পানি, মধু ও দুধ ইত্যাদি পান করিয়েছি।
[১] সহীহ বুখারী, হা/৫৬৩৮; সহীহ মুসলিম, হা/৫৩৫৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/১৩৬০৬; সহীহ ইবনে হিব্বান, হা/৫৩৯৪; বায়হাকী, হা/১৭১৯২; শারহুস সুন্নাহ, হা/৩০২০। ব্যাখ্যাঃ নাবীয হলো, কোন পাত্রে কয়েকটি খেজুর বা কিছু পরিমাণ কিসমিস সন্ধ্যায় ভিজালে সকালে এবং সকালে ভিজালে সন্ধ্যায় যে শরবত তৈরি হয়। আনাস (রাঃ) এর উক্তির মর্ম হলো, তিনি ঐ পাত্রটিতে খুরমা অথবা কিসমিস ভিজিয়ে রাখতেন এবং ঐ পেয়ালাতে প্রস্তুত নাবীয রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ কে পান করাতেন। সাধারণত তিনি সন্ধ্যায় ভিজানো নাবীয সকালে এবং সকালে ভিজানো নাবীয সন্ধ্যায় পান করতেন। উল্লেখ্য যে, নেশা তৈরি হলে নাবীয ব্যবহার করা যাবে না।