কুরবানি করার নিয়ম
মোট হাদিস ০৫
সহিহ বুখারী : ৫৫৪৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৫৪৫
مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ زُبَيْدٍ الإِيَامِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنِ الْبَرَاءِ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِنَّ أَوَّلَ مَا نَبْدَأُ بِه„ فِي يَوْمِنَا هٰذَا أَنْ نُصَلِّيَ ثُمَّ نَرْجِعَ فَنَنْحَرَ مَنْ فَعَلَه“ فَقَدْ أَصَابَ سُنَّتَنَا وَمَنْ ذَبَحَ قَبْلُ فَإِنَّمَا هُوَ لَحْمٌ قَدَّمَه“ لأَ÷هْلِه„ لَيْسَ مِنَ النُّسُكِ فِي شَيْءٍ فَقَامَ أَبُو بُرْدَةَ بْنُ نِيَارٍ وَقَدْ ذَبَحَ فَقَالَ إِنَّ عِنْدِي جَذَعَةً فَقَالَ اذْبَحْهَا وَلَنْ تَجْزِيَ عَنْ أَحَدٍ بَعْدَكَ قَالَ مُطَرِّفٌ عَنْ عَامِرٍ عَنِ الْبَرَاءِ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَنْ ذَبَحَ بَعْدَ الصَّلاَةِ تَمَّ نُسُكُه“ وَأَصَابَ سُنَّةَ الْمُسْلِمِينَ.
বারা' (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন: আমাদের এ দিনে আমরা সর্বাগ্রে যে কাজটি করব তা হল সালাত আদায় করব। এরপর ফিরে এসে আমরা কুরবানি করব। যে ব্যক্তি এভাবে তা আদায় করল সে আমাদের নীতি অনুসরণ করল। আর যে ব্যক্তি আগেই যবাই করল, তা এমন গোশতেরূপে গণ্য যা সে তার পরিবারের জন্য আগাম ব্যবস্থা করল। এটা কিছুতেই কুরবানি বলে গণ্য নয়।তখন আবু বুরদা ইবনু নিয়ার (রাঃ) দাঁড়ালেন, আর তিনি (সালাতের) আগেই যবাই করেছিলেন। তিনি বললেন: আমার নিকট একটি বকরির বাচ্চা আছে। নবী (ﷺ) বললেন: তাই যবাই কর। তবে তোমার পরে আর কারো জন্য তা যথেষ্ট হবে না।মুতাররাফ বারাআ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, নবী (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি সালাতের পরে যবাই করল তার কুরবানি পূর্ণ হল এবং সে মুসলিমদের নীতি গ্রহণ করল।
[৯৫১; মুসলিম ৩৫/১, হাঃ ১৯৬১, আহমাদ ১৬৪৮৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৩৪)
সুনানে আবু দাউদ : ২৭৮৮
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ২৭৮৮
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ، ح وَحَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا بِشْرٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَوْنٍ، عَنْ عَامِرٍ أَبِي رَمْلَةَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مِخْنَفُ بْنُ سُلَيْمٍ، قَالَ وَنَحْنُ وُقُوفٌ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِعَرَفَاتٍ قَالَ " يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ عَلَى كُلِّ أَهْلِ بَيْتٍ فِي كُلِّ عَامٍ أُضْحِيَةً وَعَتِيرَةً أَتَدْرُونَ مَا الْعَتِيرَةُ هَذِهِ الَّتِي يَقُولُ النَّاسُ الرَّجَبِيَّةُ " . قَالَ أَبُو دَاوُدَ الْعَتِيرَةُ مَنْسُوخَةٌ هَذَا خَبَرٌ مَنْسُوخٌ .
মিখলাফ ইবনু সুলাইম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে আরাফাতে অবস্থান করছিলাম। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বললেনঃ লোকসকল! নিশ্চয়ই প্রতিটি পরিবারের লোকদের উপর প্রতি বছর কোরবানি ও ‘আতীরাহ করা কর্তব্য। তিনি বললেন, তোমরা কি জানো, ‘আতীরাহ কী? ‘আতীরাহ হলো, যাকে লোকেরা ‘রজাবিয়াহ’ বলতে থাকে। আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, ‘আতীরাহ রহিত এবং এর হাদিসও রহিত।
সুনানে আবু দাউদ : ২৮০০
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ২৮০০
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، حَدَّثَنَا مَنْصُورٌ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ النَّحْرِ بَعْدَ الصَّلاَةِ فَقَالَ " مَنْ صَلَّى صَلاَتَنَا وَنَسَكَ نُسُكَنَا فَقَدْ أَصَابَ النُّسُكَ وَمَنْ نَسَكَ قَبْلَ الصَّلاَةِ فَتِلْكَ شَاةُ لَحْمٍ " . فَقَامَ أَبُو بُرْدَةَ بْنُ نِيَارٍ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَاللَّهِ لَقَدْ نَسَكْتُ قَبْلَ أَنْ أَخْرُجَ إِلَى الصَّلاَةِ وَعَرَفْتُ أَنَّ الْيَوْمَ يَوْمُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ فَتَعَجَّلْتُ فَأَكَلْتُ وَأَطْعَمْتُ أَهْلِي وَجِيرَانِي . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " تِلْكَ شَاةُ لَحْمٍ " . فَقَالَ إِنَّ عِنْدِي عَنَاقًا جَذَعَةً وَهِيَ خَيْرٌ مِنْ شَاتَىْ لَحْمٍ فَهَلْ تُجْزِئُ عَنِّي قَالَ " نَعَمْ وَلَنْ تُجْزِئَ عَنْ أَحَدٍ بَعْدَكَ " .
আল-বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কুরবানির দিন ঈদের সালাতের পর আমাদের সম্মুখে ভাষণ দিলেন এবং বললেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের মত সালাত আদায় করলো, আমাদের মত কুরবানি করলো, তার কুরবানি সঠিক হলো।আর যে ঈদের সালাতের পূর্বে কুরবানি করলো, তা (কুরবানি না হয়ে) গোশত খাওয়ার বকরী হলো।আবু বুরদা ইবনু নিয়ার (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর শপথ! আমি তো সালাতের জন্য বের হওয়ার আগেই কুরবানি করে ফেলেছি। আমি ভেবেছিলাম, আজ পানাহারের দিন। তাই তাড়াহুড়া করে কুরবানির গোশত নিজে খেয়েছি, পরিবার-পরিজন এবং প্রতিবেশীদেরও খেতে দিয়েছি।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ এটা গোশত খাওয়ার বকরী হলো।আবু বুরদা (রাঃ) বলেন, আমার কাছে ছয় মাস পূর্ণ বয়সের একটি ছাগল আছে যা আমার গোশত খাওয়ার বকরীর চেয়েও উত্তম। এটা কি আমার কুরবানির স্থান পূর্ণ করবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কিন্তু তোমার পরে আর কারো জন্য এরূপ করা জায়েয হবে না।
