ইসলামে দাসের অধিকার
মোট হাদিস ০৬
সহিহ বুখারী : ২৫৩৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৫৩৫
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ أَخْبَرَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ، سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ ـ رضى الله عنهما ـ يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ الْوَلاَءِ، وَعَنْ هِبَتِهِ.
ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রি করতে এবং তা দান করতে নিষেধ করেছেন।
সহিহ বুখারী : ২৫৪৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৫৪৫
حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، حَدَّثَنَا وَاصِلٌ الأَحْدَبُ، قَالَ سَمِعْتُ الْمَعْرُورَ بْنَ سُوَيْدٍ، قَالَ رَأَيْتُ أَبَا ذَرٍّ الْغِفَارِيَّ ـ رضى الله عنه ـ وَعَلَيْهِ حُلَّةٌ وَعَلَى غُلاَمِهِ حُلَّةٌ فَسَأَلْنَاهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ إِنِّي سَابَبْتُ رَجُلاً فَشَكَانِي إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ لِيَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَعَيَّرْتَهُ بِأُمِّهِ ". ثُمَّ قَالَ " إِنَّ إِخْوَانَكُمْ خَوَلُكُمْ جَعَلَهُمُ اللَّهُ تَحْتَ أَيْدِيكُمْ، فَمَنْ كَانَ أَخُوهُ تَحْتَ يَدِهِ فَلْيُطْعِمْهُ مِمَّا يَأْكُلُ، وَلْيُلْبِسْهُ مِمَّا يَلْبَسُ، وَلاَ تُكَلِّفُوهُمْ مَا يَغْلِبُهُمْ، فَإِنْ كَلَّفْتُمُوهُمْ مَا يَغْلِبُهُمْ فَأَعِينُوهُمْ ".
মারূর ইবনু সুওয়াইদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
একবার আমি আবূ যর গিফারি (রাঃ)-এর দেখা পেলাম। তার গায়ে তখন এক জোড়া কাপড় আর তার ক্রীতদাসের গায়েও (অনুরূপ) এক জোড়া কাপড় ছিল। তাঁকে এর কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, একবার এক ব্যক্তিকে আমি গালি দিয়েছিলাম। সে নবী (ﷺ)-এর কাছে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করল।তখন নবী (ﷺ) আমাকে বললেন, “তুমি তার মার প্রতি কটাক্ষ করে তাকে লজ্জা দিলে?”তারপর তিনি বললেন, “তোমাদের গোলামরা তোমাদেরই ভাই। আল্লাহ তাদেরকে তোমাদের অধীনস্ত করেছেন, কাজেই কারো ভাই যদি তার অধীনে থাকে তবে সে যা খায়, তা হতে যেন তাকে খেতে দেয় এবং সে যা পরিধান করে, তা হতে যেন পরিধান করায় এবং তাদের সাধ্যাতীত কোন কাজে বাধ্য না করে। তোমরা যদি তাদের শক্তির ঊর্ধ্বে কোন কাজ তাদের দাও তবে তাদের সহযোগিতা কর।”
সহিহ মুসলিম : ৩৬৭৫
সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩৬৭৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ، الرَّحْمَنِ بْنَ الْقَاسِمِ قَالَ سَمِعْتُ الْقَاسِمَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا أَرَادَتْ أَنْ تَشْتَرِيَ، بَرِيرَةَ لِلْعِتْقِ فَاشْتَرَطُوا وَلاَءَهَا فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " اشْتَرِيهَا وَأَعْتِقِيهَا فَإِنَّ الْوَلاَءَ لِمَنْ أَعْتَقَ " . وَأُهْدِيَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَحْمٌ فَقَالُوا لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هَذَا تُصُدِّقَ بِهِ عَلَى بَرِيرَةَ . فَقَالَ " هُوَ لَهَا صَدَقَةٌ وَهُوَ لَنَا هَدِيَّةٌ " . وَخُيِّرَتْ . فَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَكَانَ زَوْجُهَا حُرًّا . قَالَ شُعْبَةُ ثُمَّ سَأَلْتُهُ عَنْ زَوْجِهَا فَقَالَ لاَ أَدْرِي .
‘'আয়িশাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি মুক্ত করে দেয়ার উদ্দেশে বারীরাকে খরিদ করার ইচ্ছা করলেন। কিন্তু তারা (বারীরার মুনিবেরা) তার ওয়ালা পাওয়ার শর্তারোপ করে বসল। তখন তিনি বিষয়টি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে উঠালেন। তিনি বললেনঃ তুমি তাকে খরিদ করে মুক্ত করে দাও। মূলত ওয়ালা সে পাবে যে মুক্ত করে দেয়।রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জন্য কিছু গোশত হাদিয়া রূপে পেশ করা হল। তখন তারা নবী (ﷺ)-কে বললেনঃ এ গোশত বারীরাকে সদকা হিসেবে দেয়া হয়েছে। তিনি বললেনঃ এটা তার জন্য সদকা এবং আমাদের জন্যে হাদিয়া। তাকে (বারীরাকে) তার (ক্রীতদাস) স্বামীর বিষয়ে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছিল।আবদুর রহমান বললেন, তার স্বামী স্বাধীন ছিল। শু’আবাহ (রহঃ) বলেনঃ আমি পুনরায় তাকে (আবদুর রহমানকে) তার (বারীরাহ) স্বামী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমার জানা নেই।
ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৪১, ইসলামীক সেন্টারঃ ৩৬৪১
