ইসলামে মুনাফিকের পরিচয়

মোট হাদিস ০৪

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৯১৭

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ، أَنَّهُ سَمِعَ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ، يَقُولُ خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرٍ أَصَابَ النَّاسَ فِيهِ شِدَّةٌ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَىٍّ لأَصْحَابِهِ لاَ تُنْفِقُوا عَلَى مَنْ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى يَنْفَضُّوا مِنْ حَوْلِهِ ‏.‏ قَالَ زُهَيْرٌ وَهِيَ قِرَاءَةُ مَنْ خَفَضَ حَوْلَهُ ‏.‏ وَقَالَ لَئِنْ رَجَعْنَا إِلَى الْمَدِينَةِ لَيُخْرِجَنَّ الأَعَزُّ مِنْهَا الأَذَلَّ - قَالَ - فَأَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُهُ بِذَلِكَ فَأَرْسَلَ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُبَىٍّ فَسَأَلَهُ فَاجْتَهَدَ يَمِينَهُ مَا فَعَلَ فَقَالَ كَذَبَ زَيْدٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ - فَوَقَعَ فِي نَفْسِي مِمَّا قَالُوهُ شِدَّةٌ حَتَّى أَنْزَلَ اللَّهُ تَصْدِيقِي ‏{‏ إِذَا جَاءَكَ الْمُنَافِقُونَ‏}‏ قَالَ ثُمَّ دَعَاهُمُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِيَسْتَغْفِرَ لَهُمْ - قَالَ - فَلَوَّوْا رُءُوسَهُمْ ‏.‏ وَقَوْلُهُ ‏{‏ كَأَنَّهُمْ خُشُبٌ مُسَنَّدَةٌ‏}‏ وَقَالَ كَانُوا رِجَالاً أَجْمَلَ شَىْءٍ ‏

যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে কোন এক সফরে আমরা বের হলাম। এ সফরে মানুষজন অনেক কষ্টে পড়ে। সে সময় আবদুল্লাহ ইবন উবাই তার সাথীদেরকে বলল, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথীদের জন্যে তোমরা কিছু ব্যয় করো না, যাতে তারা তাঁর কাছ হতে দূরে চলে যায়। যুহাইর (রহঃ) বলেন, এ হলো ঐ লোকের তিলাওয়াত যে, শব্দের পরিবর্তে পড়ে শক্তিশালীগণ বেশি দুর্বলগণকে বহিষ্কার করে দিবে। আর সে এটাও বলল, আমরা মদিনায় ফিরে আসলে সেখান থেকে নিশ্চয়ই বেশি দুর্বলকে বহিষ্কৃত করবে শক্তিশালী ব্যক্তি। এ কথা শুনে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে এসে তার এ কথাবার্তার ব্যাপারে তাঁকে জানালাম। তখন তিনি আবদুল্লাহ ইবন উবাইকে ডেকে পাঠালেন এবং তাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন। সে জোরদার শপথ করে বলল যে, সে এমন কর্ম করেনি। আর বলল, যায়দ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে মিথ্যা কথা বলেছে। যায়দ (রাঃ) বলেন, তাদের এ কথায় আমি মনে কঠিন কষ্ট পেলাম। তখন আল্লাহ আমার সততার পক্ষে অবতীর্ণ করেন, ... তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাদেরকে এজন্য আহ্বান করলেন যে, তিনি তাদের জন্যে মার্জনা প্রার্থনা করবেন। তখন তারা তাদের মাথা ঘুরিয়ে নিল। আল্লাহ তাদের ব্যাপারে বলেছেন, তারা দেয়ালে ভর দেয়া কাঠের স্তম্ভ স্বরূপ। যায়দ (রাঃ) বলেন, বাহ্যিকভাবে তারা ছিল খুবই সুন্দর মানুষ।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৬৭, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২২

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৯২০

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ لَمَّا تُوُفِّيَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أُبَىٍّ ابْنُ سَلُولَ جَاءَ ابْنُهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ أَنْ يُعْطِيَهُ قَمِيصَهُ يُكَفِّنُ فِيهِ أَبَاهُ فَأَعْطَاهُ ثُمَّ سَأَلَهُ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَامَ عُمَرُ فَأَخَذَ بِثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَتُصَلِّي عَلَيْهِ وَقَدْ نَهَاكَ اللَّهُ أَنْ تُصَلِّيَ عَلَيْهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنَّمَا خَيَّرَنِي اللَّهُ فَقَالَ اسْتَغْفِرْ لَهُمْ أَوْ لاَ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ إِنْ تَسْتَغْفِرْ لَهُمْ سَبْعِينَ مَرَّةً وَسَأَزِيدُهُ عَلَى سَبْعِينَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ إِنَّهُ مُنَافِقٌ ‏.‏ فَصَلَّى عَلَيْهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَنْزَلَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ ‏{‏ وَلاَ تُصَلِّ عَلَى أَحَدٍ مِنْهُمْ مَاتَ أَبَدًا وَلاَ تَقُمْ عَلَى قَبْرِهِ‏}

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আবদুল্লাহ ইবন উবাই-এর মৃত্যুর পর তার সন্তান আবদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে আসলেন এবং তাঁর পিতার কাফনের জন্য রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর জামাটি চাইলেন। তিনি তাঁকে জামাটি দিয়ে দিলেন। তারপর তিনি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর পিতার সালাতে জানাযা আদায়ের জন্য অনুরোধ করলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার জানাযার সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়ালেন। এমতাবস্থায় উমর (রাঃ) দাঁড়িয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাপড় টেনে ধরে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তার জানাযা কি আপনি আদায় করাবেন? আর আল্লাহ তা'আলা তার সালাতে জানাযা আদায় করাতে আপনাকে বারণ করেছেন।এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন, এ ব্যাপারে তো আল্লাহ তা'আলা আমাকে এ কথা বলে স্বাধীনতা দিয়েছেন যে, “আপনি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন অথবা তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা না করুন- উভয়ই সমান, আপনি সত্তরবারও যদি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন- সবই সমান। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ আমি সত্তরের উপরে বাড়িয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করব। উমর (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে তো কপট ছিল। এরপরও রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তার সালাতে জানাযা আদায় করলেন। তখন আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করলেন- “তাদের মাঝে কারো মৃত্যু হলে আপনি কখনো তার জন্য জানাযার সালাত আদায় করবেন না এবং তার কবরের পাশেও দণ্ডায়মান হবেন না”- (সূরা আত তাওবা ৯:৮৪)।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৭০, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮২৫

সহিহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৬৯২৫

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، ح وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، كِلاَهُمَا عَنْ شُعْبَةَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏

শু‘বাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

এ সূত্রেও তিনি অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন।

ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৬৭৭৫, ইসলামীক সেন্টারঃ ৬৮৩০

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন