স্বামী ও স্ত্রী
মোট হাদিস ১০২
পারিবারিক জীবন ও স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ সহীহ হাদিস
ইসলামে পারিবারিক জীবনের সুখ ও শান্তি বজায় রাখতে স্বামী এবং স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্ণিত হাদিসগুলোতে মহানবী (ﷺ) পুরুষদের জন্য নারীদের ফিতনা বা পরীক্ষার বিষয়ে সতর্ক করেছেন এবং স্ত্রীদের মনস্তাত্ত্বিক ও সৃষ্টিগত বৈশিষ্ট্যের এক সুন্দর বিবরণ দিয়েছেন। আল্লাহর রাসূল (ﷺ) নারীদের পাঁজরের হাড়ের সাথে তুলনা করেছেন, যা স্বভাবগতভাবেই কিছুটা বাঁকা হয়। তিনি উম্মতকে উপদেশ দিয়েছেন যে, নারীদের জোরপূর্বক সম্পূর্ণ সোজা করতে গেলে তা ভেঙে যাবে, অর্থাৎ সম্পর্কের অবনতি ঘটবে; বরং তাদের এই স্বভাবগত বৈশিষ্ট্য মেনেই তাদের থেকে কল্যাণ লাভ করতে হবে এবং সর্বদা তাদের উত্তম নাসীহত বা উপদেশ প্রদান করতে হবে। এছাড়া সাহাবিদের জীবনে স্ত্রীদের সাথে আচরণে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করার প্রমাণ পাওয়া যায়, যেখানে তারা ওহী অবতীর্ণ হওয়ার ভয়ে সাবধানে ও শ্রদ্ধার সাথে কথা বলতেন।
خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ قَالَ حَدَّثَنِي حُمَيْدٌ عَنْ أَنَسٍ قَالَ آلٰى رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مِنْ نِسَائِه «شَهْرًا وَقَعَدَ فِي مَشْرُبَةٍ لَه» فَنَزَلَ لِتِسْعٍ وَعِشْرِينَ فَقِيلَ يَا رَسُوْلَ اللهِ إِنَّكَ آلَيْتَ عَلٰى شَهْرٍ قَالَ إِنَّ الشَّهْرَ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একবার নবী (ﷺ) শপথ করলেন যে, এক মাসের মধ্যে তিনি স্ত্রীদের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করবেন না। তিনি নিজস্ব একটি উঁচু কামরায় অবস্থান করছিলেন। ঊনত্রিশ দিন অতিবাহিত হলে তিনি সেখান থেকে নিচে নেমে এলেন। তাঁকে বলা হলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আপনি শপথ করেছেন যে, এক মাসের মধ্যে কোন স্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। তিনি বললেন, মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।
مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا بِشْرٌ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ عَنْ أَنَسٍ وَلَوْ شِئْتُ أَنْ أَقُولَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺوَلٰكِنْ قَالَ السُّنَّةُ إِذَا تَزَوَّجَ الْبِكْرَ أَقَامَ عِنْدَهَا سَبْعًا وَإِذَا تَزَوَّجَ الثَّيِّبَ أَقَامَ عِنْدَهَا ثَلاَثًا.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) - এর সুন্নত এই যে, যদি কেউ কুমারী মেয়ে বিয়ে করে, তবে তার সাথে সাত দিন-রাত্রি যাপন করতে হবে আর যদি কেউ কোন বিধবা মহিলাকে বিয়ে করে, তাহলে তার সঙ্গে তিন দিন যাপন করতে হবে।
يُوسُفُ بْنُ رَاشِدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ سُفْيَانَ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ وَخَالِدٌ عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ مِنَ السُّنَّةِ إِذَا تَزَوَّجَ الرَّجُلُ الْبِكْرَ عَلَى الثَّيِّبِ أَقَامَ عِنْدَهَا سَبْعًا وَقَسَمَ وَإِذَا تَزَوَّجَ الثَّيِّبَ عَلَى الْبِكْرِ أَقَامَ عِنْدَهَا ثَلاَثًا ثُمَّ قَسَمَ قَالَ أَبُو قِلاَبَةَ وَلَوْ شِئْتُ لَقُلْتُ إِنَّ أَنَسًا رَفَعَه“ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ وَقَالَ عَبْدُ الرَّزَّاقِ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ وَخَالِدٍ قَالَ خَالِدٌ وَلَوْ شِئْتُ قُلْتُ رَفَعَه“ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) - এর সুন্নাত হচ্ছে, যদি কেউ বিধবা স্ত্রী থাকা অবস্থায় কুমারী বিয়ে করে তবে সে যেন তার সঙ্গে সাত দিন অতিবাহিত করে এবং এরপর পালা অনুসারে এবং কেউ যদি কোন বিধবাকে বিয়ে করে এবং তার ঘরে পূর্ব থেকেই কুমারী স্ত্রী থাকে তবে সে যেন তার সঙ্গে তিন দিন কাটায় এবং তারপর পালাক্রমে। আবূ কিলাবাহ (রহঃ) বলেন, আমি ইচ্ছে করলে বলতে পারতাম যে, আনাস (রাঃ) এ হাদীসে রাসূল (ﷺ) পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন। ‘আবদুর রাযযাক (রহঃ) বলেন, আমি ইচ্ছে করলে বলতে পারতাম যে, খালেদ হাদীস রাসূল (ﷺ) পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন।
عَلِيٌّ حَدَّثَنَا ابْنُ عُلَيَّةَ عَنْ حُمَيْدٍ عَنْ أَنَسٍ قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ عِنْدَ بَعْضِ نِسَائِه„ فَأَرْسَلَتْ إِحْد‘ى أُمَّهَاتِ الْمُؤْمِنِينَ بِصَحْفَةٍ فِيهَا طَعَامٌ فَضَرَبَتْ الَّتِي النَّبِيُّ ﷺ فِي بَيْتِهَا يَدَ الْخَادِمِ فَسَقَطَتْ الصَّحْفَةُ فَانْفَلَقَتْ فَجَمَعَ النَّبِيُّ ﷺ فِلَقَ الصَّحْفَةِ ثُمَّ جَعَلَ يَجْمَعُ فِيهَا الطَّعَامَ الَّذِي كَانَ فِي الصَّحْفَةِ وَيَقُوْلُ غَارَتْ أُمُّكُمْ ثُمَّ حَبَسَ الْخَادِمَ حَتّٰى أُتِيَ بِصَحْفَةٍ مِنْ عِنْدِ الَّتِي هُوَ فِي بَيْتِهَا فَدَفَعَ الصَّحْفَةَ الصَّحِيحَةَ إِلٰى الَّتِي كُسِرَتْ صَحْفَتُهَا وَأَمْسَكَ الْمَكْسُورَةَ فِي بَيْتِ الَّتِي كَسَرَتْ.
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
কোন এক সময় রাসূল (ﷺ) তাঁর একজন স্ত্রীর কাছে ছিলেন। ঐ সময় উম্মুহাতুল মুমিনীনের আর একজন একটি পাত্রে কিছু খাদ্য পাঠালেন। যে স্ত্রীর ঘরে নবী (ﷺ) অবস্থান করছিলেন সে স্ত্রী খাদিমের হাতে আঘাত করলেন। ফলে খাদ্যের পাত্রটি পড়ে ভেঙ্গে গেল। নবী (ﷺ) পাত্রের ভাঙ্গা টুকরোগুলো কুড়িয়ে একত্রিত করলেন, তারপর খাদ্যগুলো কুড়িয়ে তাতে রাখলেন এবং বললেন, তোমাদের আম্মাজীর আত্মমর্যাদাবোধে আঘাত লেগেছে। তারপর তিনি খাদিমকে অপেক্ষা করতে বললেন এবং যে স্ত্রীর কাছে ছিলেন তাঁর নিকট হতে একটি পাত্র নিয়ে যার পাত্র ভেঙ্গেছিল, তাঁর কাছে পাঠালেন এবং ভাঙ্গা পাত্রটি যে ভেঙ্গেছিল তাঁর ঘরেই রাখলেন।
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَنَسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِنَّ لِلثَّيِّبِ ثَلَاثًا وَلِلْبِكْرِ سَبْعًا
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ বয়স্কা স্ত্রীর পালা হচ্ছে তিন দিন এবং তরুণী স্ত্রীর পালা সাত দিন।
[১৯১৬] সহীহুল বুখারী ৫২১৩, ৫২১৪, মুসলিম ১৪৬১, তিরমিযী ১১৩৯, আবূ দাউদ ২১২৪, মুয়াত্তা মালেক ১১২৪, দারেমী ২২০৯, ইরওয়াহ ৭/৮৮-৮৯, সহীহাহ ১১৭১, তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন ইসহাক সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও আজালী বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি হাসানুল হাদিস। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি সালিহ। সুলায়মান বিন তারখান ও সুলায়মান বিন মিহরান বলেন, তিনি মিথ্যুক। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি আমার নিকট হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয় তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫০৫৭, ২৪/৪০৫ নং পৃষ্ঠা)
أَخْبَرَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ مَسْعُودٍ، عَنْ يَزِيدَ وَهُوَ ابْنُ زُرَيْعٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، أَنَّ أَنَسًا، حَدَّثَهُمْ «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَطُوفُ عَلَى نِسَائِهِ فِي اللَّيْلَةِ الْوَاحِدَةِ، وَلَهُ يَوْمَئِذٍ تِسْعُ نِسْوَةٍ»
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ক্বাতাদাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত। আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, নাবী (ﷺ) একই রাতে তাঁর সব স্ত্রীদের কাছে যেতেন। তখন তাঁর নয়জন স্ত্রী ছিলেন।
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ بِلَالٍ، عَنْ يَحْيَى، عَنْ حُمَيْدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَنَسًا، يَقُولُ: «إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَقَامَ عَلَى صَفِيَّةَ بِنْتِ حُيَيِّ بْنِ أَخْطَبَ بِطَرِيقِ خَيْبَرَ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ حِينَ عَرَّسَ بِهَا، ثُمَّ كَانَتْ فِيمَنْ ضُرِبَ عَلَيْهَا الْحِجَابُ»
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হুমায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন: রাসূলুল্লাহ (ﷺ) খায়বারের পথে হুয়াই ইবনু আখত্বাব-এর কন্যা সফিয়্যাহ্ (রাঃ)-এর সাথে তিন দিন অতিবাহিত করেন। এরপর তিনি ঐ সকল লোকের অন্তর্ভুক্ত হন, যাদেরকে পর্দা আওতাধীন করা হতো।
[১] উল্লিখিত উপকরণসমূহ মিশ্রিত করে প্রস্তুতকৃত সুস্বাদু খাবার।
قَالَ أَبُو دَاوُدَ كَتَبَ إِلَىَّ حُسَيْنُ بْنُ حُرَيْثٍ الْمَرْوَزِيُّ حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ أَبِي حَفْصَةَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ إِنَّ امْرَأَتِي لاَ تَمْنَعُ يَدَ لاَمِسٍ. قَالَ " غَرِّبْهَا " . قَالَ أَخَافُ أَنْ تَتْبَعَهَا نَفْسِي. قَالَ " فَاسْتَمْتِعْ بِهَا " .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (ﷺ)-এর কাছে এসে অভিযোগ করলো, আমার স্ত্রী কোন স্পর্শকারীর হাতকে নিষেধ করে না। তিনি বললেনঃ তুমি তাকে ত্যাগ করো। সে বললো, আমার আশঙ্কা আমার মন তার পিছনে ছুটবে। তিনি বললেনঃ (যেহেতু ব্যভিচারের প্রমাণ নেই) তাহলে তুমি তার থেকে ফায়দা হাসিল করো।
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلَّادٍ الْبَاهِلِيُّ حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ لَعَنَ الْمُتَشَبِّهِينَ مِنْ الرِّجَالِ بِالنِّسَاءِ وَلَعَنَ الْمُتَشَبِّهَاتِ مِنْ النِّسَاءِ بِالرِّجَالِ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) অভিসম্পাত করেছেন নারীর বেশধারী পুরুষদেরকে এবং পুরুষের বেশধারিণী নারীদেরকে”।
[১৯০৪] সহীহুল বুখারী ৫৮৮৫, ৫৮৮৬, ৬৮৩৪, তিরমিযী ২৭৮৪, ২৭৮৫, আবূ দাউদ ৪০৯৭, ৪৯৩০, আহমাদ ১৯৮৩, ২০০৮, ২১২৪, ৩৪৪৮, দারেমী ২৬৪৯, রওয ৪৪৭, আল-আদাব ৪৪৭, হিজাবুল মারআহ ৬৭, তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى قَالَا حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ يَحْيَى بْنِ ثَوْبَانَ عَنْ عَمِّهِ عُمَارَةَ بْنِ ثَوْبَانَ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ خَيْرُكُمْ خَيْرُكُمْ لِأَهْلِهِ وَأَنَا خَيْرُكُمْ لِأَهْلِي
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম যে নিজের পরিবারের কাছে উত্তম। আর আমি তোমাদের চেয়ে আমার পরিবারের কাছে অধিক উত্তম।
[১৯৭৭] সহীহাহ ২৮৫। আত-তালীকুর রাগীব ৩/৭২। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী উমারাহ বিন সাওবান সম্পর্কে আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান (রহঃ) বলেন, তার অবস্থা সম্পর্কে অজ্ঞাত। ইবনু হাজার আল-আসকালানী (রহঃ) বলেন, তার কিছু অবস্থা অজ্ঞাত। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। আবদুল হাক বিন আব্দুর রহমান (রহঃ) বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪১৭৭, ২১/২৩১ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু উমারাহ বিন সাওবান এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৬৭ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ তিরমিযি ৩৮৯৫, দারিমী ২২৬০, মু'জামুল আওসাত ৪৪২০, ৬১৪৫, আল-ফাওয়ায়িদ ৩০৬।
