নামাজ ও খাওয়া

মোট হাদিস ২১

নামাজ ও খাওয়া: আহার গ্রহণের পর সালাত আদায়ের সঠিক নিয়ম ও হাদিস

পবিত্র হাদিস শরিফে নামাজ ও খাওয়া তথা আহার গ্রহণের পর সালাত আদায়ের বিধান সম্পর্কে স্পষ্ট বিবরণ পাওয়া যায়। সাহবা নামক স্থানে খাইবারের যুদ্ধযাত্রায় রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ছাতু খাওয়ার পর নতুন করে অজু না করে কেবল কুলি করেই মাগরিবের সালাত আদায় করেছিলেন। একইভাবে, হাঁড়ি থেকে গোশতযুক্ত হাড় বা কাঁধের গোশত দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে খাওয়ার পরও তিনি নতুন অজু ছাড়াই নামাজে দাঁড়িয়েছেন। অন্যদিকে, দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়া সাহাবী ইতবান (রাঃ)-এর ঘরে রাসুলুল্লাহ (ﷺ) সালাত আদায়ের পর তাঁদের প্রস্তুতকৃত খাবার (হাজিরা) খাওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন। ইসলামী পণ্ডিতদের মতে, এই হাদিসগুলো প্রমাণ করে যে আগুন বা সাধারণ খাবার খাওয়ার পর নতুনভাবে অজু করা বাধ্যতামূলক নয়, বরং কুলি করাই যথেষ্ট। এই সুন্নাহগুলো মুমিনদের জন্য দ্বীনের পালনকে অনেক সহজ ও সাবলীল করে তোলে।

سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ يَحْيٰى عَنْ بُشَيْرِ بْنِ يَسَارٍ عَنْ سُوَيْدِ بْنِ النُّعْمَانِ أَنَّه“ أَخْبَرَه“ أَنَّهُمْ كَانُوا مَعَ النَّبِيِّ ﷺ بِالصَّهْبَاءِ وَهِيَ عَلٰى رَوْحَةٍ مِنْ خَيْبَرَ فَحَضَرَتْ الصَّلاَةُ فَدَعَا بِطَعَامٍ فَلَمْ يَجِدْه“ إِلاَّ سَوِيقًا فَلاَكَ مِنْه“ فَلُكْنَا مَعَه“ ثُمَّ دَعَا بِمَاءٍ فَمَضْمَضَ ثُمَّ صَلّٰى وَصَلَّيْنَا وَلَمْ يَتَوَضَّأْ.

তাঁরা একদা নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে ‘সাহ্‌বা’ নামক স্থানে উপস্থিত ছিলেন। সাহ্‌বা ছিল খায়বার থেকে এক মন্‌যিলের দূরত্বে। সালাতের সময় হলে তিনি খাবার আনতে বললেন। কিন্তু ছাতু ব্যতীত আর কিছুই পেলেন না। তিনি তাই মুখ নাড়াচাড়া করলেন, আমরাও তাঁর সঙ্গে মুখে নাড়াচাড়া করলাম। তারপর তিনি পানি আনালেন এবং কুলি করে সালাত আদায় করলেন। আমরাও তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করলাম। আর তিনি ওযু করলেন না।

عَبْدُ اللهِ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ تَعَرَّقَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ كَتِفًا ثُمَّ قَامَ فَصَلّٰى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) একটি স্কন্ধের গোশত দাঁত দিয়ে ছিঁড়ে খেলেন। [৪০] তারপর তিনি উঠে গিয়ে (নতুনভাবে) ওজু না করেই সালাত আদায় করলেন।

[১] সাধারণতঃ পাশ্চাত্যবাসীরা খাবার গ্রহণের সময় ছুরি, কাটা চামচ ইত্যাদি ব্যবহার করে। এটা আমাদের নবী (ﷺ) পছন্দ করতেন না। দাঁত দিয়ে মাংস কাটলে মুখে প্রচুর পরিনাণ লালা গ্রন্থি হতে লালা নির্গত হয়। উক্ত লালাতে যথেষ্ট পরিনাণ টায়ালিন, মিউসিন ও স্যালিভারী এমাইলেস নামক হজমের এনাজাইম বিদ্যমান থাকে এবং তা খাদ্য দ্রব্য হজমে সাহায্য করে। তাছাড়া খাদ্য দ্রব্য চিবাতে ও গিলতে ঐ লালা খাদ্য নালীকে পিচ্ছিল করে। এটা হলো আধুনিক শরীর বিজ্ঞানের গবেষণার ফল। অথচ দেড় হাজার বছর পূর্বে নবী (ﷺ) বলে গেছেন যে, দাঁত দ্বারা ছিঁড়ে খেলে স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী এবং তিনি নিজেও তা পালন করেছেন। খাদ্য দ্রব্য ভাল করে চিবাতে হয়। চিকিৎসা শাস্ত্রে উল্লেখ আছে যে খাদ্য দ্রব্য ৩২ বার চিবাতে হয়। (A Hand Book of Social and Preventive Medicine. Yash Pal Bedi, Delhi, 1982, p-215)

وَعَنْ أَيُّوبَ وَعَاصِمٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ انْتَشَلَ النَّبِيُّ ﷺ عَرْقًا مِنْ قِدْرٍ فَأَكَلَ ثُمَّ صَلّٰى وَلَمْ يَتَوَضَّأْ.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) হাঁড়ি থেকে একটি গোশত যুক্ত হাড় বের করে তা খেলেন। তারপর (নতুন) ওজু না করেই সালাত আদায় করলেন।

مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِذَا أُقِيمَتْ الصَّلاَةُ وَحَضَرَ الْعَشَاءُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ قَالَ وُهَيْبٌ وَيَحْيٰى بْنُ سَعِيدٍ عَنْ هِشَامٍ إِذَا وُضِعَ الْعَشَاءُ.

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যখন সালাতের ইকামাত দেয়া হয় এবং রাতের খাবারও হাজির হয়ে যায়, তাহলে তোমরা আগে খাবার হয়ে নেবে। উহাইব ও ইয়াহিয়া বিন সা’ঈদ হিশাম হতে বর্ণনা করেছেনঃ যখন রাতের খাবার আনা হয়।

مُعَلّٰى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ إِذَا وُضِعَ الْعَشَاءُ وَأُقِيمَتْ الصَّلاَةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ وَعَنْ أَيُّوبَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ عَنْ النَّبِيِّ ﷺ نَحْوَهُ.

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যদি রাতের খাবার পরিবেশিত হয় এবং ইকামাত দেয়া হয়, তাহলে তোমরা আগে খাবার খেয়ে নিবে। অন্য সনদে আইয়ূব, নাফি’ (রহঃ)-এর সূত্রে ইবনু ‘উমর (রাঃ) থেকেও অনুরূপ হাদীস নবী (ﷺ) হতে বর্ণিত হয়েছে।

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَعْلَى الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا عَنْبَسَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْقُرَشِيُّ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَلاَّقٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ ﷺ " تَعَشَّوْا وَلَوْ بِكَفٍّ مِنْ حَشَفٍ فَإِنَّ تَرْكَ الْعَشَاءِ مَهْرَمَةٌ» .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ مُنْكَرٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَعَنْبَسَةُ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ وَعَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَلاَّقٍ مَجْهُولٌ .

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা অবশ্যই রাতের খাবার খাবে তা একমুঠ খেজুর হলেও। কেননা রাতের খাবার বাদ দেয়া বার্ধক্যের কারণ।

আবূ ঈসা বলেছেন, এটি একটি প্রত্যাখ্যাত (মুনকার) হাদীস। আমরা শুধু উল্লেখিত সূত্রে এটি জেনেছি। রাবী আনবাসাকে হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল সাব্যস্ত করা হয়েছে। তাছাড়া আবদুল মালিক ইবনু আল্লাক একজন অখ্যাত-অপরিচিত রাবী।

إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ قَالَ حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ فُلَيْحٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحَارِثِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ أَنَّه“ سَأَلَه“ عَنِ الْوُضُوءِ مِمَّا مَسَّتْ النَّارُ فَقَالَ لاَ قَدْ كُنَّا زَمَانَ النَّبِيِّ ﷺ لاَ نَجِدُ مِثْلَ ذ‘لِكَ مِنَ الطَّعَامِ إِلاَّ قَلِيلاً فَإِذَا نَحْنُ وَجَدْنَاه“ لَمْ يَكُنْ لَنَا مَنَادِيلُ إِلاَّ أَكُفَّنَا وَسَوَاعِدَنَا وَأَقْدَامَنَا ثُمَّ نُصَلِّي وَلاَ نَتَوَضَّأُ.

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আগুনে স্পর্শ বস্তু খাওয়ার পর ওজু করা সম্বন্ধে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ না, ওজু করতে হবে না। নবী (ﷺ)-এর যুগে তো আমরা এমন খাবার কমই পেতাম। যখন আমরা তা পেতাম, তখন আমাদের তো হাতের তালু, হাত ও পা ব্যতীত কোন রুমাল ছিল না (আমরা এগুলো দিয়ে মুছে নিতাম)। তারপর (আবার) ওজু না করেই আমরা সালাত আদায় করতাম।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمِ بْنِ بَزِيعٍ، حَدَّثَنَا مُعَلَّى، - يَعْنِي ابْنَ مَنْصُورٍ - عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لاَ تُؤَخِّرِ الصَّلاَةَ لِطَعَامٍ وَلاَ لِغَيْرِهِ».

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ খাবারের জন্য বা অন্য কোন কারণে সালাতের জামা‘আত বিলম্বিত করা যাবে না।

[৩৭৫৮] বায়হাক্বী। সানাদের মুহাম্মাদ ইবনু মাইমূন সম্পর্কে ইমাম বুখারী, ইমাম আবূ দাঊদ ও ইমাম নাসায়ী বলেন : মুনকারুল হাদীস। আবূ হাতিম বলেন : তার দ্বারা সমস্যা নেই। দারাকুতনী বলেন : সে কিছুই না। ইবনু আদী বলেন: তার বেশি হাদীস নেই। যেমনটি এসেছে আত-তাহযীব গ্রন্থে।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ الْمِصْرِيُّ أَبُو الْحَارِثِ الْمُرَادِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كُنَّا زَمَانَ رَسُولِ اللَّهِ ـ ﷺ ـ وَقَلِيلٌ مَا نَجِدُ الطَّعَامَ فَإِذَا نَحْنُ وَجَدْنَاهُ لَمْ يَكُنْ لَنَا مَنَادِيلُ إِلاَّ أَكُفَّنَا وَسَوَاعِدَنَا وَأَقْدَامَنَا ثُمَّ نُصَلِّي وَلاَ نَتَوَضَّأْ . قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ غَرِيبٌ لَيْسَ إِلاَّ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَلَمَةَ .

জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে খাদ্য খুব কমই পেতাম। আমরা যখন তা পেতাম তখন আমাদের নিকট তোয়ালে থাকতো না, হাতের তালু, বাহু ও পায়ের পাতা ব্যতীত। অতঃপর আমরা নামাজ পড়তাম এবং (আহার শেষে) উযু করতাম না।

[৩২৮২] সহীহুল বুখারী ৫৪৫৭, তিরমিযী ৮০, আবূ দাউদ ১৯১। তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী ইবনু আবু ইয়াহইয়া সম্পর্কে শায়খ আলবানী (রহঃ) বলেন, ইবনু আবু ইয়াহইয়া এর নাম ফুলায়হ, আল-হাফিয বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন, তার ছেলে মুহাম্মাদ তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন।

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَمُسَدَّدٌ، - الْمَعْنَى - قَالَ أَحْمَدُ حَدَّثَنِي يَحْيَى الْقَطَّانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنِي نَافِعٌ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ «إِذَا وُضِعَ عَشَاءُ أَحَدِكُمْ وَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلاَ يَقُومُ حَتَّى يَفْرُغَ». زَادَ مُسَدَّدٌ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ إِذَا وُضِعَ عَشَاؤُهُ أَوْ حَضَرَ عَشَاؤُهُ لَمْ يَقُمْ حَتَّى يَفْرُغَ وَإِنْ سَمِعَ الإِقَامَةَ وَإِنْ سَمِعَ قِرَاءَةَ الإِمَامِ.

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেনঃ তোমাদের রাতের খাবার উপস্থিত করা হলে এবং ‘ইশার সালাতের ইক্বামাত দেয়া হলে খাবার শেষ না করে সালাতে যাবে না। মুসাদ্দাদের বর্ণনায় রয়েছেঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমরের রাতের খাবার পরিবেশন করা হলে বা রাতের খাবার আনা হলে তিনি আহার শেষ না করে কখনও সালাতের জন্য উঠতেন না। এমনকি ইক্বামাত বা ইমামের কিরাআত শুনতে পেলেও তিনি আহার শেষ না করা পর্যন্ত উঠতেন না।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন