দাসদের অধিকার

মোট হাদিস ৫০

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ يَعْقُوبَ الْجُوزَجَانِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ أَخْبَرَنِي الْمَسْعُودِيُّ، عَنْ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، : أَنَّ رَجُلاً، أَتَى النَّبِيَّ ﷺ بِجَارِيَةٍ سَوْدَاءَ فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ عَلَىَّ رَقَبَةً مُؤْمِنَةً . فَقَالَ لَهَا : " أَيْنَ اللَّهُ " . فَأَشَارَتْ إِلَى السَّمَاءِ بِأُصْبُعِهَا . فَقَالَ لَهَا : «فَمَنْ أَنَا» . فَأَشَارَتْ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ وَإِلَى السَّمَاءِ، يَعْنِي أَنْتَ رَسُولُ اللَّهِ . فَقَالَ : " أَعْتِقْهَا فَإِنَّهَا مُؤْمِنَةٌ " .

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

এক ব্যক্তি একটি কালো দাসী নিয়ে নবী (ﷺ) এর কাছে এসে বললো, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমাকে একটি মুমিন দাসী আযাদ করতে হবে। তিনি (ﷺ) দাসীটিকে জিজ্ঞেস করলেন : আল্লাহ্‌ কোথায়? সে তার হাতের আঙ্গুল দিয়ে আসমানের দিকে ইশারা করলো। তিনি তাকে পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন : আমি কে? সে নবী (ﷺ) ও আকাশের দিকে ইশারা করে বললো, আপনি আল্লাহ্‌র রাসূল। তিনি বলেনঃ তুমি তাকে আযাদ করে দাও কেননা সে মুমিন।

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ، نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ غَزْوَانَ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي نُعْمٍ، حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَذَفَ مَمْلُوكَهُ بِالزِّنَا يُقَامُ عَلَيْهِ الْحَدُّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ كَمَا قَالَ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আবুল কাসিম (মুহাম্মাদ) (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আপন দাস-দাসীর উপর ব্যভিচারের মিথ্যা অভিযোগ আনলো, কিয়ামত দিবসে তার উপর এ মিথ্যা অপবাদের শাস্তি আপতিত হবে। কিন্তু সে যা বলেছে তা যদি সত্যি হয় তবে নয় (তবে অভিযোগকারী আর শাস্তি পাবে না)।

ই.ফা. ৪১৬৫, ই.সে. ৪১৬৪

وَحَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سَرْحٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو، بْنُ الْحَارِثِ أَنَّ بُكَيْرَ بْنَ الأَشَجِّ، حَدَّثَهُ عَنِ الْعَجْلاَنِ، مَوْلَى فَاطِمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ ‏ "‏ لِلْمَمْلُوكِ طَعَامُهُ وَكِسْوَتُهُ وَلاَ يُكَلَّفُ مِنَ الْعَمَلِ إِلاَّ مَا يُطِيقُ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ক্রীতদাসের জন্যে খাওয়া-দাওয়া ও পোশাক-পরিচ্ছদের ব্যবস্থা করা মনিবের দায়িত্ব। তার সাধ্যের বাইরে কোন কাজের জন্য তাকে কষ্ট দেয়া যাবে না।

ই.ফা. ৪১৭০, ই.সে. ৪১৬৯

وَحَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ قَيْسٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا صَنَعَ لأَحَدِكُمْ خَادِمُهُ طَعَامَهُ ثُمَّ جَاءَهُ بِهِ وَقَدْ وَلِيَ حَرَّهُ وَدُخَانَهُ فَلْيُقْعِدْهُ مَعَهُ فَلْيَأْكُلْ فَإِنْ كَانَ الطَّعَامُ مَشْفُوهًا قَلِيلاً فَلْيَضَعْ فِي يَدِهِ مِنْهُ أُكْلَةً أَوْ أُكْلَتَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ دَاوُدُ يَعْنِي لُقْمَةً أَوْ لُقْمَتَيْنِ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যখন তোমাদের কোন গোলাম খাদ্য তৈরি করে তার মনিবের কাছে নিয়ে আসে যাতে তার তাপ ও ধোঁয়া সে সহ্য করেছে, তখন তার উচিত হবে তাকে কাছে বসিয়ে তা থেকে কিছু খাবার প্রদান করা। আর যদি খাবারের পরিমাণ অতি অল্প হয়, তবে সে যেন তার হাতে অন্তত এক লোকমা অথবা দু’ লোকমা খাবার প্রদান করে। বর্ণনাকারী দাউদ (রহঃ) ..... বলেন যে, أُكْلَةً أَوْ أُكْلَتَيْنِ এর অর্থ لُقْمَةً أَوْ لُقْمَتَيْنِ এক লোকমা অথবা দু’ লোকমা।

ই.ফা. ৪১৭১, ই.সে. ৪১৭০

حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ، يَقُولُ قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لِلْعَبْدِ الْمَمْلُوكِ الْمُصْلِحِ أَجْرَانِ ‏"‏ ‏.‏ وَالَّذِي نَفْسُ أَبِي هُرَيْرَةَ بِيَدِهِ لَوْلاَ الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَالْحَجُّ وَبِرُّ أُمِّي لأَحْبَبْتُ أَنْ أَمُوتَ وَأَنَا مَمْلُوكٌ ‏.‏ قَالَ وَبَلَغَنَا أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ لَمْ يَكُنْ يَحُجُّ حَتَّى مَاتَتْ أُمُّهُ لِصُحْبَتِهَا ‏.‏ قَالَ أَبُو الطَّاهِرِ فِي حَدِيثِهِ ‏"‏ لِلْعَبْدِ الْمُصْلِحِ ‏"‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرِ الْمَمْلُوكَ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ সৎ গোলামের জন্যে দ্বিগুণ পুরস্কার রয়েছে। সে মহান আল্লাহর শপথ! যাঁর হাতে আবূ হুরায়রা‌র জীবন, যদি আল্লাহর পথে জিহাদ করা, হজ করা এবং আমার মায়ের সেবা করা অধিক পুণ্যের বিষয় না হতো, তবে গোলাম অবস্থায় মৃত্যু হওয়াকেই আমি অধিক পছন্দ করতাম। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা জানতে পারলাম যে, আবূ হুরায়রা‌ (রাঃ) হজে গমন করেননি তাঁর মায়ের মৃত্যুর আগে। কেননা তিনি সর্বদা তাঁর পাশে থেকে সেবা করতেন। বর্ণনাকারী আবূ তাহির তাঁর বর্ণিত হাদীস لِلْعَبْدِ الْمُصْلِحِ (সৎ গোলামের জন্যে) কথাটির উল্লেখ করেছেন। কিন্তু الْمَمْلُوكَ (ক্রীতদাস) শব্দটি তিনি উল্লেখ করেননি।

ই.ফা. ৪১৭৪, ই.সে. ৪১৭৩

وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا أَدَّى الْعَبْدُ حَقَّ اللَّهِ وَحَقَّ مَوَالِيهِ كَانَ لَهُ أَجْرَانِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَحَدَّثْتُهَا كَعْبًا فَقَالَ كَعْبٌ لَيْسَ عَلَيْهِ حِسَابٌ وَلاَ عَلَى مُؤْمِنٍ مُزْهِدٍ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে গোলাম আল্লাহর হক এবং তার মনিবের হক আদায় করল, তার জন্য দ্বিগুণ পুরস্কার রয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন যে, এই হাদীসটি কা‘ব (রাঃ)- এর নিকট বর্ণনা করলাম তখন কা‘ব (রাঃ) বললেন, কেয়ামতের দিন তার কোন হিসাব নেই এবং ঐ মুমিনের ওপরও কোন হিসাব নেই যার সম্পদ কম।

ই.ফা. ৪১৭৬, ই.সে. ৪১৭৫

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، قَالَ هَذَا مَا حَدَّثَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ أَحَادِيثَ مِنْهَا وَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ نِعِمَّا لِلْمَمْلُوكِ أَنْ يُتَوَفَّى يُحْسِنُ عِبَادَةَ اللَّهِ وَصَحَابَةَ سَيِّدِهِ نِعِمَّا لَهُ ‏"‏ ‏.‏

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে এ ব্যাপারে অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে উত্তমরূপে ইবাদত করে মৃত্যুবরণ করেছে এবং আপন মনিবের উত্তম সেবা করেছে, ঐ গোলামের জন্য কতই না উত্তম পুরস্কার রয়েছে, তার জন্য কতই না উত্তম প্রতিদান রয়েছে।

ই.ফা. ৪১৭৭, ই.সে. ৪১৭৭

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، - وَاللَّفْظُ لاِبْنِ الْمُثَنَّى - قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي، هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ فِي الْمَمْلُوكِ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ فَيُعْتِقُ أَحَدُهُمَا قَالَ " يَضْمَنُ " .

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেনঃ দুজনের অংশীদারিত্বে কোন গোলামের একজন মালিক যদি তার অংশ আযাদ করে দেয়, তবে সে (অপরের অংশের) যামিন হবে।

ই.ফা. ৪১৮৪, ই.সে. ৪১৮৪

وَحَدَّثَنِي عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ ابْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " مَنْ أَعْتَقَ شَقِيصًا لَهُ فِي عَبْدٍ فَخَلاَصُهُ فِي مَالِهِ إِنْ كَانَ لَهُ مَالٌ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ اسْتُسْعِيَ الْعَبْدُ غَيْرَ مَشْقُوقٍ عَلَيْهِ " .

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি যৌথ মালিকানার কোন গোলামের নিজ অংশ আজাদ করল, তবে তার মাল থেকেই তাকে সম্পূর্ণ মুক্ত করে দেয়া কর্তব্য, যদি সে সম্পদশালী হয়। আর যদি তার সম্পদ না থাকে তবে গোলামের দ্বারা সেবা কার্য আদায় করবে বটে, কিন্তু তার উপর কোন কঠোরতা আরোপ করতে পারবে না।

ই.ফা. ৪১৮৬, ই.সে. ৪১৮৬

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ الْهَادِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ، عَنْ سَعِيدِ ابْنِ مَرْجَانَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ «مَنْ أَعْتَقَ رَقَبَةً مُؤْمِنَةً أَعْتَقَ اللَّهُ مِنْهُ بِكُلِّ عُضْوٍ مِنْهُ عُضْوًا مِنَ النَّارِ حَتَّى يُعْتِقَ فَرْجَهُ بِفَرْجِهِ».قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَعَمْرِو بْنِ عَبَسَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَوَاثِلَةَ بْنِ الأَسْقَعِ وَأَبِي أُمَامَةَ وَعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ وَكَعْبِ بْنِ مُرَّةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَابْنُ الْهَادِ اسْمُهُ يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أُسَامَةَ بْنِ الْهَادِ وَهُوَ مَدَنِيٌّ ثِقَةٌ قَدْ رَوَى عَنْهُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَغَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ .

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, নবী (ﷺ) কে আমি বলতে শুনেছিঃ যদি কেউ কোন মুমিন গোলাম মুক্ত করে তবে আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বিনিময়ে তার (আযাদকারীর) প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে জাহান্নামের আগুন হতে মুক্ত করে দেন। এমনকি তার লজ্জাস্থানের বিনিময়ে আযাদকারীর লজ্জাস্থানকে মুক্ত করেন।

আইশা, আমর ইবনু আবাসা, ইবনু আব্বাস, ওয়াসিলা ইবনুল আসকা, আবূ উমামা, উকবা ইবনু আমির ও কা‘ব ইবনু মুররা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা এই সূত্রে হাসান সহীহ গারীব বলেছেন। ইবনুল হাদের নাম ইয়াযীদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উসামা ইবনুল হাদ। তিনি মদীনার অধিবাসী এবং সিকাহ বর্ণনাকারী। তাঁর নিকট হতে মালিক ইবনু আনাস ও আরো একাধিক অভিজ্ঞ আলিম হাদীস বর্ণনা করেছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন