১৭/১. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৪৯৩ - কুরবানির ফজিলত ও মর্যাদা

কুরবানীর ফাজিলত

কুরবানির ফজিলত ও আনন্দিত মনে কুরবানি

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৪৯৩

حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو، مُسْلِمُ بْنُ عَمْرِو بْنِ مُسْلِمٍ الْحَذَّاءُ الْمَدَنِيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نَافِعٍ الصَّائِغُ أَبُو مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِي الْمُثَنَّى، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ " مَا عَمِلَ آدَمِيٌّ مِنْ عَمَلٍ يَوْمَ النَّحْرِ أَحَبَّ إِلَى اللَّهِ مِنْ إِهْرَاقِ الدَّمِ إِنَّهَا لَتَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِقُرُونِهَا وَأَشْعَارِهَا وَأَظْلاَفِهَا وَإِنَّ الدَّمَ لَيَقَعُ مِنَ اللَّهِ بِمَكَانٍ قَبْلَ أَنْ يَقَعَ مِنَ الأَرْضِ فَطِيبُوا بِهَا نَفْسًا " .قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ وَزَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ. قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ. وَأَبُو الْمُثَنَّى اسْمُهُ سُلَيْمَانُ بْنُ يَزِيدَ. رَوَى عَنْهُ ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ. - قَالَ أَبُو عِيسَى وَيُرْوَى عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ أَنَّهُ قَالَ " فِي الأُضْحِيَةِ لِصَاحِبِهَا بِكُلِّ شَعَرَةٍ حَسَنَةٌ " . وَيُرْوَى " بِقُرُونِهَا " .

আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কুরবানীর দিন মানুষ যে কাজ করে তার মধ্যে আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট সবচাইতে পছন্দনীয় হচ্ছে রক্ত প্রবাহিত করা (কুরবানী করা)। কেয়ামতের দিন তা নিজের শিং, পশম ও ক্ষুরসহ হাযির হবে। তার (কুরবানীর পশুর) রক্ত যমিনে পড়ার আগেই আল্লাহ্‌ তা‘আলার নিকটে এক বিশেষ মর্যাদায় পৌঁছে যায়। অতএব তোমরা আনন্দিত মনে কুরবানী কর।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। শুধু উল্লেখিত সনদ সুত্রেই আমরা এ হাদীসটি হিশাম হতে বর্ণিত হিসেবে জেনেছি। আবূল মুসান্নার নাম সুলাইমান, পিতা ইয়াযীদ। ইবনু আবূ ফুদাইক তার সুত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। এক বর্ণনায় আছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “কুরবানীকারীর জন্য প্রতিটি লোমের বিনিময়ে সওয়াব আছে। অপর এক বর্ণনায় আছে ‘প্রতিটি শিং-এর বিনিময়ে।’ খুবই দুর্বল, মিশকাত(১৪৭৬)

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৪৯৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে কুরবানির দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমলের মর্যাদা তুলে ধরা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কুরবানির দিন মানুষের কাজগুলোর মধ্যে আল্লাহর কাছে রক্ত প্রবাহিত করা বা পশু কুরবানি করা সবচেয়ে পছন্দনীয়। কুরবানির পশু কিয়ামতের দিন তার শিং, পশম ও ক্ষুরসহ উপস্থিত হবে। আরও বলা হয়েছে, পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই তা আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদায় পৌঁছে যায়। এ কারণে মুমিনকে কুরবানি করতে বলা হয়েছে আনন্দিত ও সন্তুষ্ট মনে। হাদিসটির মূল বার্তা শুধু পশু জবাই নয়; বরং আল্লাহর নির্দেশ পালনের প্রতি আন্তরিক মনোভাব রাখা। তাই কুরবানির ফজিলত স্মরণ করে বিরক্তি বা অনীহা নয়, বরং ভালো মন নিয়ে এই আমল সম্পন্ন করার শিক্ষা পাওয়া যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কুরবানির দিনে পশু জবাইকে আল্লাহর প্রিয় আমল বলা হয়েছে।
  • কুরবানির পশু কিয়ামতের দিন তার অঙ্গসহ উপস্থিত হবে।
  • পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার আগেই বিশেষ মর্যাদা লাভ করে।
  • কুরবানি আনন্দিত ও সন্তুষ্ট মনে করতে বলা হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন