১৯/৩১. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৫৮৮ - বাহরাইন ও পারস্যের মাজুসীদের জিযইয়া
অগ্নিপূজকদের নিকট হতে কর আদায় প্রসঙ্গে
মাজুসীদের জিযইয়া: বাহরাইন, পারস্য ও ফার্সের বর্ণনা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৫৮৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৫৮৮
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي كَبْشَةَ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ أَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ الْجِزْيَةَ مِنْ مَجُوسِ الْبَحْرَيْنِ وَأَخَذَهَا عُمَرُ مِنْ فَارِسَ وَأَخَذَهَا عُثْمَانُ مِنَ الْفُرْسِ . وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا فَقَالَ هُوَ مَالِكٌ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ .
সাইব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বাহরাইনের মাজূসীদের নিকট হতে জিযইয়া গ্রহণ করেন। উমর (রাঃ) পারস্যের মাজূসীদের নিকট হতে এবং উসমান (রাঃ) ফুরস-এর মাজূসীদের নিকট হতে তা আদায় করেন।
ইমাম তিরমিযী বলেনঃ আমি মুহাম্মাদ (বুখারী)-কে এই হাদীস প্রসঙ্গে প্রশ্ন করায় তিনি বলেনঃ মালিক যুহরীর সূত্রে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হতে বর্ণনা করেছেন। অতএব হাদীসটি মুরসাল, ইরওয়া (৫/৯০)।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৫৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় তিনটি প্রশাসনিক নজির একসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বাহরাইনের মাজুসীদের কাছ থেকে জিযইয়া গ্রহণ করেন। পরে উমর (রাঃ) পারস্যের মাজুসীদের এবং উসমান (রাঃ) ফার্সের মাজুসীদের কাছ থেকে তা আদায় করেন। ফলে হাদিসটির মূল বিষয় হলো বিভিন্ন সময় ও অঞ্চলে মাজুসীদের কাছ থেকে জিযইয়া নেওয়ার ধারাবাহিকতা। একই সঙ্গে শেষ অংশে বর্ণনার সনদ নিয়ে ইমাম তিরমিযীর প্রশ্ন এবং ইমাম বুখারীর মন্তব্যও এসেছে। প্রদত্ত অনুবাদে এটিকে মুরসাল বলা হয়েছে। তাই বিষয়বস্তু তুলে ধরার সময় বর্ণনার হাদিসগত মন্তব্যটি বাদ দেওয়া ঠিক হবে না। এই পাঠে জিযইয়ার হার, সংগ্রহের নিয়ম বা ব্যক্তিগত প্রয়োগের কোনো নির্দেশ নেই। সহজভাবে বলা যায়, এটি বাহরাইন, পারস্য ও ফার্সের মাজুসীদের জিযইয়া সম্পর্কিত একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা এবং সনদ-সংক্রান্ত মন্তব্য।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বাহরাইনের মাজুসীদের কাছ থেকে জিযইয়া নিয়েছিলেন।
- উমর (রাঃ) পারস্যের মাজুসীদের কাছ থেকে জিযইয়া আদায় করেছিলেন।
- উসমান (রাঃ) ফার্সের মাজুসীদের কাছ থেকে তা আদায় করেছিলেন।
- প্রদত্ত পাঠে বর্ণনাটিকে মুরসাল বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
