২১/১৩. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৬৮৪ - যুদ্ধের আগে রোজা ভাঙার নির্দেশ
যুদ্ধ চলা কালীন সময়ে রোজা না রাখা
শত্রুর মোকাবিলার আগে রোজা ভাঙার নির্দেশের হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৬৮৪
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৬৮৪
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مُوسَى، أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَنْبَأَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ عَطِيَّةَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ قَزَعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ لَمَّا بَلَغَ النَّبِيُّ ﷺ عَامَ الْفَتْحِ مَرَّ الظَّهْرَانِ فَآذَنَنَا بِلِقَاءِ الْعَدُوِّ فَأَمَرَنَا بِالْفِطْرِ فَأَفْطَرْنَا أَجْمَعُونَ .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ .
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মাররায-যাহরান নামক জায়গায় পৌছলেন, তখন তিনি আমাদেরকে শত্রুর মুকাবিলা করার কথা জানিয়ে দিলেন। তিনি আমাদেরকে রোজা ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দিলেন। তাই আমরা সবাই রোজা ভেঙ্গে ফেললাম।
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ্ বলেছেন। উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৬৮৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো যুদ্ধের প্রস্তুতিতে রোজা ভাঙা। মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم মাররুয যাহরান এলাকায় পৌঁছে সাহাবিদের জানান যে সামনে শত্রুর মোকাবিলা হতে পারে। এরপর তিনি তাঁদের রোজা ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন। বর্ণনাকারী বলেন, সবাই একসঙ্গে রোজা ভেঙে ফেলেন। হাদিসে সিদ্ধান্তটির কারণ হিসেবে আসন্ন শত্রু মোকাবিলার কথা সরাসরি এসেছে। তাই এখানে মূল শিক্ষা হলো, ওই বিশেষ সফর ও যুদ্ধপরিস্থিতিতে শারীরিক প্রস্তুতির জন্য নবীজির নির্দেশ মানা হয়েছিল। বর্ণনাটি সাধারণ সব সফর, সব রোজা বা সব পরিস্থিতির পূর্ণ বিধান দেয় না। তাই এর বাইরে বড় কোনো ফিকহি সিদ্ধান্ত দিতে হলে আলাদা দলিল ও আলেমের ব্যাখ্যা দরকার। এই লেখায় শুধু হাদিসের স্পষ্ট ঘটনাই তুলে ধরা হলো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আসন্ন শত্রু মোকাবিলার কথা জানিয়ে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم রোজা ভাঙার নির্দেশ দেন।
- সাহাবিরা নবীজির নির্দেশ মেনে সবাই রোজা ভেঙে ফেলেন।
- হাদিসটি একটি নির্দিষ্ট সফর ও যুদ্ধপরিস্থিতির ঘটনা বর্ণনা করে।
