২১/৩০. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৭০৮ - পশুর লড়াই নিষিদ্ধ
পশুর লড়াই অনুষ্ঠান এবং কোন প্রাণীর মুখে দাগ দেওয়া বা আঘাত করা নিষেধ
পশুর লড়াই বাধানো নিষেধ: প্রাণীর প্রতি দয়ার হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৭০৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৭০৮
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ، عَنْ قُطْبَةَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي يَحْيَى، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ﷺ عَنِ التَّحْرِيشِ بَيْنَ الْبَهَائِمِ.
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) পশুর লড়াই বাধাতে মানা করেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৭০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم পশুর মধ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে লড়াই বাধাতে নিষেধ করেছেন। মানুষ কখনো বিনোদন, বাজি, প্রদর্শনী বা কৌতূহলের জন্য প্রাণীদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। কিন্তু এই বর্ণনার সরাসরি নির্দেশ হলো—এমন লড়াই করানো যাবে না। পশু নিজের ভাষায় কষ্ট জানাতে পারে না বলে তাকে কষ্ট দেওয়া বৈধ হয়ে যায় না। হাদিসটি প্রাণীর প্রতি দয়া, দায়িত্ব ও সংযম শেখায়। এখানে কোন পশু, কত সময় বা কী ধরনের আয়োজন—এমন আলাদা তালিকা দেওয়া হয়নি; সাধারণভাবে পশুর লড়াই বাধানোই নিষেধ করা হয়েছে। তাই মোরগ, ষাঁড় বা অন্য প্রাণী—যে ক্ষেত্রেই মানুষ ইচ্ছা করে সংঘর্ষ তৈরি করে, হাদিসের মূল সতর্কতা মনে রাখা দরকার। প্রাণীকে খেলনার বদলে আল্লাহর সৃষ্টি ও মানুষের আমানত হিসেবে দেখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পশুর মধ্যে ইচ্ছাকৃত লড়াই বাধানো নিষেধ।
- বিনোদনের জন্য প্রাণীকে কষ্ট দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
- প্রাণীর প্রতি দয়া ও দায়িত্বশীল আচরণ করা দরকার।
- নিষেধের বক্তব্যকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংকুচিত করা উচিত নয়।
