২৩/১৫. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৮১৩ - ঘুমের সময় ঘরে আগুন না রাখা
শোয়ার সময় পাত্রের মুখ ঢেকে রাখা এবং আগুন ও বাতি নিভিয়ে দেওয়া
ঘুমের আগে আগুন নেভানোর হাদিস ও ঘরের নিরাপত্তা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ১৮১৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ১৮১৩
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، وَغَيْرُ، وَاحِدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ تَتْرُكُوا النَّارَ فِي بُيُوتِكُمْ حِينَ تَنَامُونَ ". قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.
সালিম (রহঃ) হতে তার বাবা হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ শোয়ার সময় তোমরা তোমাদের ঘরে আগুন জ্বালিয়ে রেখ না।
এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা (রহঃ) হাসান সহীহ্ বলেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ১৮১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের নির্দেশ খুব সরাসরি—ঘুমানোর সময় ঘরে আগুন জ্বালিয়ে রাখা যাবে না। মানুষ ঘুমিয়ে গেলে আগুনের দিকে নজর রাখা সম্ভব হয় না। তবে এই বাস্তব ব্যাখ্যার বাইরে হাদিসে অতিরিক্ত বিস্তারিত নেই। তাই মূল শিক্ষা হলো শোয়ার আগে আগুন নিভিয়ে নিশ্চিত হওয়া। আগের যুগের প্রদীপ, চুলা বা খোলা আগুনের মতো যেকোনো জ্বালানো উৎস এই সতর্কতার মূল ভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, কিন্তু হাদিসের ভাষা ঘরের আগুন না রেখে ঘুমানোর কথাতেই সীমিত। ঘুমের আগে করণীয়, আগুন নেভানোর সুন্নত এবং ঘরের নিরাপত্তা—এই হাদিসের প্রধান অনুসন্ধান বিষয়। পরিবারের কেউ যেন অসতর্কতায় ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য রাতের কাজ শেষ করে আগুন নিভিয়ে তারপর শোয়া উচিত। এটি ছোট একটি নির্দেশ হলেও নিরাপত্তার দিক থেকে খুব স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঘুমানোর আগে ঘরের আগুন নিভিয়ে দিতে হবে।
- ঘুমের সময় জ্বালানো আগুন রেখে দেওয়া থেকে নিষেধ করা হয়েছে।
- রাতে ঘরের নিরাপত্তা যাচাই করা দরকার।
