২৫/৬৭. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০১৩ - নম্রতার কল্যাণ
নম্রতা প্রসঙ্গে
নম্রতার ফজিলত: কল্যাণের বড় অংশ
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২০১৩
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০১৩
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ مَمْلَكٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «مَنْ أُعْطِيَ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقِ فَقَدْ أُعْطِيَ حَظَّهُ مِنَ الْخَيْرِ وَمَنْ حُرِمَ حَظَّهُ مِنَ الرِّفْقِ فَقَدْ حُرِمَ حَظَّهُ مِنَ الْخَيْرِ». قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَجَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي هُرَيْرَةَ . وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আবুদ্ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তিকে নমনীয়তার অংশ দেয়া হয়েছে তাকে কল্যাণের অংশ দেয়া হয়েছে। নমনীয়তার অংশ হতে যে ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা হয়েছে তাকে কল্যাণের অংশ হতে বঞ্চিত করা হয়েছে।
আবূ ঈসা বলেন, আইশা, জারীর ইবনু আবদুল্লাহ ও আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ্।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০১৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় নম্রতা। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তিকে নম্রতার অংশ দেওয়া হয়েছে, তাকে কল্যাণের অংশ দেওয়া হয়েছে। আর যে ব্যক্তি নম্রতার অংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে, সে কল্যাণের অংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখানে নম্রতার গুরুত্ব খুব স্পষ্ট। নম্রতা মানে দুর্বলতা নয়; বরং কথা, আচরণ ও ব্যবহারে কোমলতা রাখা। মানুষকে কষ্ট না দিয়ে কথা বলা, রাগের সময় নিজেকে সামলানো এবং সহজভাবে ব্যবহার করা নম্রতার অংশ হতে পারে। এই হাদিস অনুযায়ী, নম্রতা মানুষের জীবনে কল্যাণের দরজা খুলে দেয়—এভাবে বলা যায়, কারণ হাদিসে কল্যাণের অংশের কথা এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নম্রতা কল্যাণের সঙ্গে জড়িত।
- কোমল আচরণ সুন্দর চরিত্রের অংশ।
- নম্রতা থেকে বঞ্চিত হওয়া ক্ষতির কারণ হতে পারে।
