২৬/২২. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৬৬ - আজওয়া খেজুর ও ছত্রাকের উপকারিতা
আজওয়া খেজুর ও ছত্রাক (ব্যাঙের ছাতা) প্রসঙ্গে
আজওয়া খেজুর ও ছত্রাক: নববী চিকিৎসার হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২০৬৬
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০৬৬
حَدَّثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ، أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَمْدَانِيُّ وَهُوَ ابْنُ أَبِي السَّفَرِ وَمَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ قَالاَ حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " الْعَجْوَةُ مِنَ الْجَنَّةِ وَفِيهَا شِفَاءٌ مِنَ السُّمِّ وَالْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ " .قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ وَأَبِي سَعِيدٍ وَجَابِرٍ. وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَلاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ سَعِيدِ بْنِ عَامِرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আজওয়া হচ্ছে জান্নাতের খেজুরবিশেষ এবং এর মধ্যে বিষের প্রতিষেধক রয়েছে। ছত্রাক হলো মান নামক আসমানী খাবারের অন্তর্ভুক্ত এবং এর পানি চক্ষুরোগের প্রতিষেধক।
আবূ ঈসা বলেন, সাঈদ ইবনু যাইদ, আবূ সাঈদ ও জাবির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা এ হাদীস সম্বন্ধে শুধুমাত্র সাঈদ ইবনু আমির-মুহাম্মদ ইবনু আমরের সূত্রেই জেনেছি।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় নববী চিকিৎসা। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, আজওয়া জান্নাতের খেজুরবিশেষ এবং এতে বিষের প্রতিষেধক আছে। একই হাদিসে তিনি বলেছেন, কামআ বা ছত্রাক মান্নের অন্তর্ভুক্ত এবং এর পানি চোখের রোগের প্রতিষেধক। এখানে দুটি জিনিসের কথা এসেছে—আজওয়া খেজুর ও ছত্রাক। হাদিসের ভাষা অনুযায়ী, এগুলোর মধ্যে আল্লাহ শিফার কারণ রেখেছেন। তবে এ কথা বলার সময় হাদিসের সীমার মধ্যেই থাকা জরুরি। এই বর্ণনায় যে রোগ ও উপকারের কথা বলা হয়েছে, সেটুকুই বলা নিরাপদ। একজন মুমিন খাবার ও চিকিৎসার উপায়কে আল্লাহর নিয়ামত মনে করবে এবং শিফা আল্লাহর কাছ থেকেই চাইবে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আজওয়া খেজুরের বিশেষ মর্যাদা ও উপকার হাদিসে এসেছে।
- ছত্রাক মান্নের অন্তর্ভুক্ত এবং তার পানি চোখের জন্য শিফার কারণ।
- শিফার আসল মালিক আল্লাহ; উপায়গুলো তাঁর দেওয়া।
