২৬/২২. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৬৮ - ছত্রাক ও আজওয়ার নববী উপকার
আজওয়া খেজুর ও ছত্রাক (ব্যাঙের ছাতা) প্রসঙ্গে
ছত্রাক ও আজওয়া খেজুর: শিফার হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২০৬৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০৬৮
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هِشَامٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ نَاسًا، مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ ﷺ قَالُوا الْكَمْأَةُ جُدَرِيُّ الأَرْضِ فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ " الْكَمْأَةُ مِنَ الْمَنِّ وَمَاؤُهَا شِفَاءٌ لِلْعَيْنِ وَالْعَجْوَةُ مِنَ الْجَنَّةِ وَهِيَ شِفَاءٌ مِنَ السُّمِّ " .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী করীম (ﷺ)-এর কিছু সাহাবী বলেন, ছত্রাক হলো যমীনের বসন্ত রোগ। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ ছত্রাক হলো মান্নের অন্তর্ভুক্ত এবং এর পানি চক্ষুরোগের প্রতিষেধক। আজওয়া হলো বেহেশতের খেজুরের অন্তর্ভুক্ত এবং এটা বিষের প্রতিষেধক।
পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৬৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ছত্রাক ও আজওয়া খেজুরের কথা এসেছে। কিছু সাহাবী ছত্রাক সম্পর্কে একটি মন্তব্য করলে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেন, ছত্রাক মান্নের অন্তর্ভুক্ত এবং এর পানি চোখের রোগের প্রতিষেধক। এরপর তিনি বলেন, আজওয়া জান্নাতের খেজুরের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি বিষের প্রতিষেধক। এখানে নবী صلى الله عليه وسلم দুটি বিষয় পরিষ্কার করেছেন। প্রথমত, ছত্রাককে খারাপভাবে দেখার বদলে এর উপকার জানানো হয়েছে। দ্বিতীয়ত, আজওয়া খেজুরের বিশেষ উপকার বলা হয়েছে। এই হাদিসের ব্যাখ্যায় সীমা মানা জরুরি। হাদিসে চোখের রোগ ও বিষের প্রসঙ্গ এসেছে, তাই এর বাইরে বড় দাবি করা উচিত নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ছত্রাক সম্পর্কে ভুল ধারণা থাকলে হাদিসের আলোকে তা ঠিক করা উচিত।
- ছত্রাকের পানি চোখের জন্য শিফার কারণ বলা হয়েছে।
- আজওয়া খেজুরের মধ্যে বিষের প্রতিষেধকের কথা এসেছে।
