২৬/৩৫. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৮৭ - রোগীকে আশার কথা বলা
(জ্বর পৃথিবীতে মুমিন গুনাহগারের শাস্তি)
রোগী দেখতে গেলে আশার কথা বলা: হাদিসের শিক্ষা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২০৮৭
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২০৮৭
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ السَّكُونِيُّ، عَنْ مُوسَى بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِذَا دَخَلْتُمْ عَلَى الْمَرِيضِ فَنَفِّسُوا لَهُ فِي أَجَلِهِ فَإِنَّ ذَلِكَ لاَ يَرُدُّ شَيْئًا وَيُطَيِّبُ نَفْسَهُ ". قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ.
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: তোমরা কোন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তাকে বেঁচে থাকারই আশান্বিত করবে। তা যদিও কোন কিছুকে (তাকদীরকে) রোধ করতে পারবে না তবুও তার মনটা এতে প্রফুল্ল হবে, শান্তি পাবে।
খুবই দুর্বল। যঈফা (১৮৪), আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২০৮৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রোগীর মন ভালো রাখা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমরা কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে গেলে তাকে বেঁচে থাকার আশা দেবে। তিনি এটাও বলেছেন, এ কথা তাকদীরের কিছু রোধ করতে পারবে না, কিন্তু রোগীর মন প্রফুল্ল হবে ও শান্তি পাবে। এখানে খুব মানবিক শিক্ষা আছে। রোগীর কাছে গিয়ে ভয় দেখানো, হতাশ করা, বা কঠিন কথা বলা ঠিক নয়। বরং সুন্দর কথা, আশা, দোয়া ও সান্ত্বনা দেওয়া উচিত। হাদিসটি রোগী দেখা সম্পর্কে ভারসাম্য শেখায়—আশা দেওয়া হবে, কিন্তু তাকদীর বদলে ফেলার দাবি করা হবে না। একজন মুসলিমের কথা যেন রোগীর মনে স্বস্তি আনে, কষ্ট না বাড়ায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোগীর সঙ্গে আশাব্যঞ্জক কথা বলা উচিত।
- সান্ত্বনামূলক কথা রোগীর মনে শান্তি আনে।
- আশা দেওয়া তাকদীর বদলায় না, তবে মন ভালো করতে পারে।
