৩১/৩২. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২২০২ - উম্মতের হানাহানি সম্পর্কে সতর্কবার্তা

(একবার মারামারি শুরু হলে কেয়ামত পর্যন্ত তা আর বন্ধ হবে না)

উম্মতের হানাহানি ও ফিতনা সম্পর্কে নবীজির সতর্কবার্তা

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২২০২

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِذَا وُضِعَ السَّيْفُ فِي أُمَّتِي لَمْ يُرْفَعْ عَنْهَا إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ ". قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ.

সাওবান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উম্মতের মধ্যে যখন তলোয়ার রাখা হবে (পরস্পর হানাহানি শুরু হবে) তখন হতে কেয়ামত পর্যন্ত তা আর তুলে নেয়া হবে না (হানাহানি বন্ধ হবে না)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ্।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২২০২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় হলো উম্মতের ফিতনা ও হানাহানি। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তাঁর উম্মতের মধ্যে যখন তলোয়ার রাখা হবে, তখন কেয়ামত পর্যন্ত তা আর তুলে নেওয়া হবে না। এখানে তলোয়ার বলতে পরস্পর সংঘাত, যুদ্ধ ও রক্তপাতের ইঙ্গিত বোঝানো হয়েছে। হাদিসটি মুসলিমদের জন্য গভীর সতর্কবার্তা। মুসলিম সমাজে বিবাদ শুরু হলে তার ক্ষতি দীর্ঘ হতে পারে। তাই মুমিনের কাজ হলো অকারণে সংঘাতে না জড়ানো, রক্তপাতকে হালকা করে না দেখা এবং শান্তি ও সংযমের পথ খোঁজা। উম্মতের হানাহানি সম্পর্কে হাদিস আমাদের ভয় দেখানোর জন্য নয়, বরং সাবধান করার জন্য।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মুসলিমদের পারস্পরিক হানাহানি বড় ফিতনার কারণ।
  • রক্তপাত শুরু হলে তার ক্ষতি দীর্ঘ হতে পারে।
  • ফিতনার সময়ে সংযম ও সতর্কতা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন