৩৪/৩৮. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৩৫৯ - নবীজির ঘরে অতিরিক্ত রুটি ছিল না
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর পরিবারের আর্থিক অবস্থা
নবী صلى الله عليه وسلم-এর ঘরে যবের রুটিও অতিরিক্ত থাকত না
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৩৫৯
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৩৫৯
حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا حَرِيزُ بْنُ عُثْمَانَ، عَنْ سُلَيْمِ بْنِ عَامِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، يَقُولُ مَا كَانَ يَفْضُلُ عَنْ أَهْلِ، بَيْتِ النَّبِيِّ ﷺ خُبْزُ الشَّعِيرِ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَيَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ هَذَا كُوفِيٌّ وَأَبُو بُكَيْرٍ وَالِدُ يَحْيَى رَوَى لَهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَيَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُكَيْرٍ مِصْرِيٌّ صَاحِبُ اللَّيْثِ .
আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ)-এর ঘরে কখনো যবের রুটিও অতিরিক্ত হতো না।
আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ্ এবং উক্ত সূত্রে গারীব। এই ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবূ বুকাইর হলেন কূফাবাসী এবং আবূ বুকাইর তার পিতা। তার সূত্রে সুফিয়ান সাওরী হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু বুকাইর হলেন মিসরবাসী এবং তিনি লাইস ইবনু সা’দের ছাত্র।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৩৫৯-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: সীমিত খাদ্য। আবু উমামা রা. বলেছেন, নবী صلى الله عليه وسلم-এর পরিবারের ঘরে যবের রুটিও অতিরিক্ত হতো না। এই ছোট বর্ণনা নবীজির ঘরের দৈনন্দিন জীবনের একটি পরিষ্কার ছবি দেয়। প্রয়োজনের পর বাড়তি খাবার জমে থাকার মতো অবস্থা সাধারণত ছিল না। হাদিসটি খাদ্য মজুতের সব ধরন নিয়ে কোনো সাধারণ নিষেধাজ্ঞা দেয় না; তাই এর বাইরে কোনো বিধান যোগ করা ঠিক হবে না। এর মূল শিক্ষা নবীজির পরিবারের সরলতা ও সীমিত সামর্থ্য স্মরণ করা। আজ কারও ঘরে খাবার বেশি থাকলে সে যেন তা আল্লাহর নিয়ামত মনে করে, অপচয় না করে এবং অভাবীদের কথা মনে রাখে। আবার যার খাবার সীমিত, সে যেন নিজেকে হীন মনে না করে। নবী صلى الله عليه وسلم-এর ঘরেও এমন সীমাবদ্ধতা ছিল—এই সত্য ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি জাগায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর পরিবারের ঘরে যবের রুটিও অতিরিক্ত থাকত না।
- খাবার বেশি থাকলে তা নিয়ামত মনে করে অপচয় না করা উচিত।
- সীমিত খাবার থাকা মানুষকে হীন করে না।
