৩৫/১১. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৪৩৫ - কবীরা গুনাহগারদের জন্য নবীর শাফাআত

কবীরা গুনাহের অপরাধীদের জন্য শাফাআত

কবীরা গুনাহগারদের জন্য নবী صلى الله عليه وسلم-এর শাফাআত

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৪৩৫

حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «شَفَاعَتِي لأَهْلِ الْكَبَائِرِ مِنْ أُمَّتِي " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ . وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ .

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের মধ্যে আমার শাফা’আত রয়েছে কাবীরা গুনাহের অপরাধীদের জন্য।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ্‌ এবং এ সূত্রে গারীব। জাবির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৪৩৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খুব সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, তাঁর শাফাআত তাঁর উম্মতের কবীরা গুনাহে জড়িত লোকদের জন্য। বর্ণনাটি গুনাহগার মুসলিমের জন্য আশার কথা বহন করে, কারণ নবী صلى الله عليه وسلم-এর শাফাআতের সুযোগের কথা বলা হয়েছে। তবে এই কথা কবীরা গুনাহকে হালকা ভাবার অনুমতি দেয় না। হাদিসে গুনাহ চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেওয়া হয়নি এবং কে নিশ্চিতভাবে শাফাআত পাবে, তাও বলা হয়নি। মূল বিষয় হলো, শাফাআত আল্লাহর অনুমতির অধীন একটি অনুগ্রহ এবং উম্মতের বড় গুনাহে জড়িতদেরও নিরাশ না হতে শেখায়। একই সঙ্গে গুনাহের ভয়, তওবার প্রয়োজন এবং আল্লাহর রহমতের আশা ধরে রাখা দরকার। সহজ ভাষায়, এই হাদিস আশা জাগায়, কিন্তু আত্মতুষ্টি শেখায় না।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী صلى الله عليه وسلم-এর শাফাআত উম্মতের কবীরা গুনাহে জড়িতদের জন্য থাকবে।
  • শাফাআতের আশা গুনাহকে হালকা ভাবার কারণ নয়।
  • গুনাহগারের জন্য নিরাশ না হয়ে আল্লাহর রহমতের আশা রাখা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন