৩৮/১৬. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৬৩৭ - কাউকে কাফির বলার ভয়াবহ পরিণতি

কেউ তার ভাইকে কুফরীর অপবাদ দিলে

কাউকে কাফের বলার পরিণতি: তাকফিরে কেন সতর্ক থাকতে হবে

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৬৩৭

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " أَيُّمَا رَجُلٍ قَالَ لأَخِيهِ كَافِرٌ فَقَدْ بَاءَ بِهِ أَحَدُهُمَا " . هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ. وَمَعْنَى قَوْلِهِ بَاءَ يَعْنِي أَقَرَّ .

ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) বলেছেনঃ কোন লোক তার ভাইকে কাফির বললে তা এ দু’জনের যে কোন একজনের উপর বর্তায়।

এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব। বায়া অর্থাৎ- স্বীকার করলো।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৬৩৭-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসের মূল বিষয় কাউকে কাফির বলা বা তাকফিরের ভয়াবহতা। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি তার ভাইকে কাফির বললে কথাটি দুজনের একজনের ওপর বর্তায়। অর্থাৎ অভিযোগ সত্য না হলে এর ভয়াবহ দায় বক্তার দিকে ফিরে আসে। তাই রাগ, দলীয় বিরোধ, মতভেদ বা ব্যক্তিগত অপছন্দের কারণে কাউকে কাফির বলা কোনো সাধারণ কথা নয়। এই বর্ণনা মুসলিমের জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখায়। কারও ভুল কাজ, পাপ বা ভিন্ন মত দেখলেই তার অন্তরের ঈমান সম্পর্কে চূড়ান্ত রায় দেওয়া উচিত নয়। প্রয়োজন হলে ভুল কাজকে ভুল বলা যায়, কিন্তু ব্যক্তির ঈমানের চূড়ান্ত অবস্থান নিয়ে অসতর্ক ভাষা ব্যবহার বিপজ্জনক। কাউকে কাফের বলার পরিণতি নিয়ে এই হাদিস সরাসরি আত্মসংযম শেখায়। তর্কে জেতার জন্য ধর্মীয় অপবাদ নয়; প্রমাণ, ন্যায়, নম্রতা এবং নীরবতা—এসবকে গুরুত্ব দিতে হবে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কাউকে কাফির বলা অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ।
  • অভিযোগ সত্য না হলে কথাটি বক্তার ওপর ফিরে আসতে পারে।
  • মতভেদ বা রাগকে তাকফিরের কারণ বানানো যাবে না।
  • ভুল কাজের সমালোচনা ও ব্যক্তির ঈমানের চূড়ান্ত রায় এক বিষয় নয়।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন