৪১/১৫. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৭৫৯ - পরিচ্ছন্নতায় চল্লিশ দিনের সর্বোচ্চ সীমা
গোঁফ ও নখ কাটার সময়সীমা
নখ, গোঁফ ও লোম পরিষ্কার: চল্লিশ দিনের বেশি নয়
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৭৫৯
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৭৫৯
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي عِمْرَانَ الْجَوْنِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ وَقَّتَ لَنَا رَسُولُ اللَّهِ ﷺ فِي قَصِّ الشَّارِبِ وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ وَحَلْقِ الْعَانَةِ وَنَتْفِ الإِبْطِ أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْمًا . قَالَ هَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ الأَوَّلِ . وَصَدَقَةُ بْنُ مُوسَى لَيْسَ عِنْدَهُمْ بِالْحَافِظِ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমাদের জন্য গোঁফ ছাটা, নখ কাটা, নাভীর নিম্নাংশের লোম কামানো এবং বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে এমনভাবে যে, তা যেন চল্লিশ দিনের বেশি রেখে না দেয়া হয়।
আবূ ‘ঈসা বলেন, প্রথমোক্ত হাদীসের চাইতে এই হাদীসটি অনেক বেশি সহীহ। হাদীসবিশারদদের মতে সাদাক্বাহ্ ইবনু মূসা প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী নন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৭৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় চল্লিশ দিনের সীমা। এতে চারটি ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার কাজের সর্বোচ্চ সময়সীমা বলা হয়েছে। কাজগুলো হলো গোঁফ ছাঁটা, নখ কাটা, নাভির নিচের লোম কামানো এবং বগলের লোম উপড়ে ফেলা। নির্দেশ হলো, এসব কাজ চল্লিশ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না। অর্থাৎ প্রতিবার চল্লিশ দিন পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই উদ্দেশ্য নয়; বরং চল্লিশ দিনের বেশি অবহেলা না করার সীমা দেওয়া হয়েছে। এই বর্ণনা পরিচ্ছন্নতার অভ্যাসকে নিয়মিত রাখার বাস্তব নির্দেশ দেয়। গোঁফ, নখ এবং শরীরের নির্দিষ্ট অংশের লোম দীর্ঘদিন অযত্নে না রেখে সময়মতো পরিষ্কার করা দরকার। হাদিসে নির্দিষ্ট বার, তারিখ বা কাটার পদ্ধতি বলা হয়নি। মূল শিক্ষা হলো চারটি পরিচর্যার কাজ এবং সেগুলো চল্লিশ দিনের বেশি না রাখার সীমা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গোঁফ ছাঁটা ও নখ কাটা চল্লিশ দিনের বেশি ফেলে রাখা যাবে না।
- নাভির নিচের লোম ও বগলের লোমও একই সীমার মধ্যে পরিষ্কার করতে হবে।
- পরিচ্ছন্নতার এসব কাজ নিয়মিত করা এবং দীর্ঘদিন অবহেলা না করা উচিত।
