৪১/২৩. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৭৭০ - বাম পাশে বালিশে হেলান দেওয়ার বর্ণনা
বালিশে হেলান দিয়ে শোয়া
বাম পাশে বালিশে হেলান দেওয়া: নবী صلى الله عليه وسلم-এর একটি বর্ণিত ভঙ্গি
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৭৭০
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৭৭০
حَدَّثَنَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ الدُّورِيُّ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ الْكُوفِيُّ، أَخْبَرَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ ﷺ مُتَّكِئًا عَلَى وِسَادَةٍ عَلَى يَسَارِهِ .قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ وَرَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ ﷺ مُتَّكِئًا عَلَى وِسَادَةٍ . وَلَمْ يَذْكُرْ عَلَى يَسَارِهِ .
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ) কে তাঁর বাম পার্শ্বদেশে বালিশে হেলান দিয়ে শুয়ে থাকতে দেখেছি।
আবূ ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। একাধিক বর্ণনাকারী ইসরাইল হতে, তিনি সিমাক হতে তিনি জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে যে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তাতে বাম “ পার্শ্বদেশ” কথাটুকু নেই।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৭৭০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির ইবনু সামুরা (রাঃ) তাঁর দেখা একটি দৃশ্য বর্ণনা করেছেন। তিনি নবী صلى الله عليه وسلم-কে বাম পার্শ্বে রাখা একটি বালিশে হেলান দিয়ে থাকতে দেখেছেন। হাদিসটির মূল বিষয় বালিশে হেলান দেওয়া এবং বিশ্রামের একটি নির্দিষ্ট ভঙ্গি। এখানে ঘুমানোর নির্দেশ, স্থায়ী নিয়ম বা বাম পাশে হেলান দেওয়ার আলাদা ফজিলত বলা হয়নি। তাই বর্ণনাটিকে ঠিক যতটুকু বলা হয়েছে, ততটুকুই বোঝা উচিত। রাসূলের বসা বা হেলান দেওয়ার ভঙ্গি সম্পর্কে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এটি একটি সরল বর্ণনা। এতে বোঝা যায়, তিনি স্বাভাবিকভাবে বালিশ ব্যবহার করে আরাম নিতেন। তবে এই একটি ঘটনার ভিত্তিতে সব সময় একই ভঙ্গি বাধ্যতামূলক বলা যাবে না। হাদিসের শিক্ষা হলো নবী صلى الله عليه وسلم-এর দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে নির্ভুলভাবে জানা এবং অতিরিক্ত দাবি না করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-কে বাম পাশে বালিশে হেলান দিয়ে থাকতে দেখা গেছে।
- এটি একটি দেখা ঘটনার বর্ণনা, সাধারণ বাধ্যতামূলক নির্দেশ নয়।
- হাদিসে এই ভঙ্গির বিশেষ ফজিলত উল্লেখ করা হয়নি।
- নববী জীবন বর্ণনায় পাঠ্যের সীমা বজায় রাখা জরুরি।
