৪৩/২. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৯৩২ - ইন্নাহু আমিলা গাইরা সালিহীন পাঠ
সূরা হূদ পাঠের নিয়ম
ইন্নাহু আমিলা গাইরা সালিহীন: আয়াতের পাঠ
জামে‘ আত-তিরমিযী : ২৯৩২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ২৯৩২
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَحَبَّانُ بْنُ هِلاَلٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا هَارُونُ النَّحْوِيُّ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَرَأَ هَذِهِ الآيَةَ : ﴾إِنَّهُ عَمِلَ غَيْرَ صَالِحٍ ﴿.
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) নিম্নোক্ত আয়াত এভাবে পাঠ করেছেনঃ “ইন্নাহু আমিলা গাইরা সালিহীন”।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ২৯৩২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয়ও একটি নির্দিষ্ট কিরাআত। উম্মু সালমা রাঃ থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم আয়াতটি ‘ইন্নাহু আমিলা গাইরা সালিহীন’ এভাবে পড়েছেন। বর্ণনাটি খুব ছোট, তাই এর ব্যাখ্যায় বাড়তি ঘটনা, অর্থের দীর্ঘ বিশ্লেষণ বা আইনগত সিদ্ধান্ত যোগ করা ঠিক হবে না। মূল গুরুত্ব হলো, কুরআনের শব্দ কীভাবে উচ্চারিত হয়েছে তা যত্নের সঙ্গে বর্ণনা করা। একই বিষয়ের কাছাকাছি বর্ণনা থাকলেও প্রতিটি রেওয়ায়াতের শব্দ আলাদা করে দেখা দরকার। পাঠকের জন্য বাস্তব শিক্ষা হলো মূল আরবি পাঠ দেখা, হরকত লক্ষ্য করা এবং দক্ষ কারির কাছে শুনে সংশোধন করা। কিরাআতের বিষয়ে তাড়াহুড়া করে একটিকে কেন্দ্র করে অন্য সব পাঠকে ভুল বলা উচিত নয়। হাদিসভিত্তিক লেখা তৈরির সময় এই সীমাবদ্ধতা মানলে পাঠকের কাছে তথ্য পরিষ্কার ও বিশ্বস্ত থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রতিটি রেওয়ায়াতের শব্দ আলাদা করে দেখা দরকার।
- কুরআনের হরকত ও উচ্চারণে যত্নবান হওয়া উচিত।
- সংক্ষিপ্ত পাঠ-বর্ণনায় বাড়তি কাহিনি যোগ করা ঠিক নয়।
- যোগ্য শিক্ষকের কাছে কিরাআত সংশোধন করা উপকারী।
