৪৪/১০. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩০৮৮ - হজের মহান দিন কোনটি
সূরা আত-তাওবা
হজের মহান দিন হলো কুরবানির দিন
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩০৮৮
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩০৮৮
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ عَبْدِ الْوَارِثِ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَنْ يَوْمِ الْحَجِّ الأَكْبَرِ فَقَالَ «يَوْمُ النَّحْرِ " .
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, হজ্জের মহান দিন প্রসঙ্গে আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ কুরবানীর দিন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩০৮৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হজ্জের মহান দিন বা ইয়াওমুল হজ্জিল আকবার। আলী রাঃ রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে জিজ্ঞেস করেন, হজ্জের মহান দিন কোনটি। নবী صلى الله عليه وسلم সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কারভাবে উত্তর দেন—কুরবানির দিন। অর্থাৎ জিলহজ্জ মাসের যে দিনে হাজিরা কুরবানি করেন, সেই দিনটিই এই বর্ণনায় হজ্জের মহান দিন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। হাদিসটি খুব ছোট হলেও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেয়। এখানে অন্য কোনো দিনের সঙ্গে তুলনা বা বাড়তি বিবরণ নেই। তাই ব্যাখ্যার ক্ষেত্রেও মূল বক্তব্যের মধ্যে থাকা জরুরি: হজের মহান দিন বলতে এই হাদিসে কুরবানির দিনকে বোঝানো হয়েছে। যারা হজে আকবরের দিন কোনটি বা ইয়াওমুন নাহর কী জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা সহজ ও নির্দিষ্ট উত্তর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হজ্জের মহান দিন সম্পর্কে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়েছিল।
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم কুরবানির দিনকে হজ্জের মহান দিন বলেছেন।
- ছোট হাদিসও গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী পরিভাষার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারে।
