৪৪/১৬. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩১২৪ - সূরা ফাতিহার নাম ও বিশেষ মর্যাদা
সূরা আল-হিজর
সূরা ফাতিহার মর্যাদা: উম্মুল কুরআন ও সাবউল মাসানি
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩১২৪
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩১২৪
حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَلِيٍّ الْحَنَفِيُّ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «الْحَمْدُ لِلَّهِ أُمُّ الْقُرْآنِ وَأُمُّ الْكِتَابِ وَالسَّبْعُ الْمَثَانِي».قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ .
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ “আলহামদু লিল্লাহ’’ অর্থাৎ সূরা ফাতিহা হচ্ছে উম্মুল কোরআন (কোরআনের মূল), উম্মুল কিতাব (কিতাবের মূল) ও সাব’উল মাসানী (বারবার পাঠিত সপ্তক)।
আবূ ‘ঈসা (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩১২৪-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয় হলো সূরা ফাতিহার মর্যাদা। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) ‘আলহামদু লিল্লাহ’ বলে সূরা ফাতিহাকে তিনটি বিশেষ নামে পরিচয় করিয়েছেন: উম্মুল কুরআন, উম্মুল কিতাব এবং সাবউল মাসানি। উম্মুল কুরআন ও উম্মুল কিতাব—দুটি নামই সূরাটির কেন্দ্রীয় গুরুত্ব বোঝায়। আর সাবউল মাসানি অর্থ বারবার পাঠিত সাত আয়াত। হাদিসটি সূরা ফাতিহার পরিচয় ও সম্মান স্পষ্ট করে, তবে এর বাইরে কোনো অতিরিক্ত দাবি করে না। তাই সূরা ফাতিহা সম্পর্কে জানতে গেলে এই তিনটি নাম মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। নামাজ ও কুরআন তিলাওয়াতে বহুল পাঠিত এই সূরাকে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যে ভাষায় পরিচয় দিয়েছেন, সেই ভাষাই এর মর্যাদা বোঝার সবচেয়ে নিরাপদ ভিত্তি। সূরাটির এই পরিচয় তার পাঠকে আরও সচেতনভাবে গ্রহণ করতে সাহায্য করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা ফাতিহা উম্মুল কুরআন নামে পরিচিত।
- এ সূরাকে উম্মুল কিতাবও বলা হয়েছে।
- সূরা ফাতিহা হলো বারবার পাঠিত সাত আয়াত বা সাবউল মাসানি।
