৪৪/২১. অধ্যায়ঃ

সূরা ত্ব-হা

জামে তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩১৬৩

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، أَخْبَرَنَا صَالِحُ بْنُ أَبِي الأَخْضَرِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ لَمَّا قَفَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ خَيْبَرَ أَسْرَى لَيْلَةً حَتَّى أَدْرَكَهُ الْكَرَى أَنَاخَ فَعَرَّسَ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ يَا بِلاَلُ اكْلأْ لَنَا اللَّيْلَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَصَلَّى بِلاَلٌ ثُمَّ تَسَانَدَ إِلَى رَاحِلَتِهِ مُسْتَقْبَلَ الْفَجْرِ فَغَلَبَتْهُ عَيْنَاهُ فَنَامَ فَلَمْ يَسْتَيْقِظْ أَحَدٌ مِنْهُمْ وَكَانَ أَوَّلَهُمُ اسْتِيقَاظًا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ أَىْ بِلاَلُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ بِلاَلٌ بِأَبِي أَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَخَذَ بِنَفْسِي الَّذِي أَخَذَ بِنَفْسِكَ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اقْتَادُوا ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ أَنَاخَ فَتَوَضَّأَ فَأَقَامَ الصَّلاَةَ ثُمَّ صَلَّى مِثْلَ صَلاَتِهِ لِلْوَقْتِ فِي تَمَكُّثٍ ثُمَّ قَالَ ‏:‏ ‏(‏وأقِمِ الصَّلاَةَ لِذِكْرِي ‏)‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَيْرُ مَحْفُوظٍ رَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ مِنَ الْحُفَّاظِ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَلَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ وَصَالِحُ بْنُ أَبِي الأَخْضَرِ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ ضَعَّفَهُ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ وَغَيْرُهُ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ‏.‏

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

যখন খাইবার যুদ্ধ হতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ফিরে আসছিলেন এবং রাতে চলতে চলতে তাঁর খুব ঘুম পেল, তখন তিনি তার উট বসিয়ে তা হতে নেমে পড়লেন, তারপর বললেনঃ হে বিলাল! আজ রাতে তুমি আমাদের পাহারা দাও।বর্ণনাকারী বলেন, বিলাল (রাঃ) নামাজ আদায় করলেন, তারপর সূর্যোদয়ের দিকে মুখ ফিরিয়ে হাওদার সাথে হেলান দিয়ে বসে রইলেন। তার চোখ ঘুমের তীব্রতায় বন্ধ হয়ে গেল। কেউই সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠতে পারলেন না। সর্বপ্রথম নবী (ﷺ) জাগ্রত হলেন। তিনি ডাকলেনঃ হে বিলাল! বিলাল (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমার বাবা আপনার জন্য কুরবান হোক। আপনার জীবন যিনি নিয়েছিলেন, আমার জীবনও তিনিই নিয়েছিলেন।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ উটের পিঠে হাওদা বাঁধো এবং দ্রুত সফর কর। তারপর তিনি আরেক স্থানে পৌঁছে উট বসালেন এবং ওজু করলেন। নামাজের উদ্দেশ্যে ইকামত বলা হল। তিনি যেভাবে ওয়াক্তিয়া নামাজগুলো পড়েন, ঠিক সেভাবে ধীরে সুস্থে এই (কাজা) নামাজ পড়লেন। তারপর তিনি আয়াত পাঠ করলেনঃ (وَأَقِمِ الصَّلَاةَ لِذِكْرِي) “আমার স্মরণে নামাজ কায়েম কর”- (সূরা ত্ব-হা- ১৪)।

সহীহঃ সহীহ আবূ দাঊদ (৪৬১, ৪৬৩), ইরওয়া (২৬৩), মুসলিম অনুরূপ।আবূ ‘ঈসা বলেন, এ হাদীসের সনদ সুরক্ষিত নয়। একাধিক হাফিয যুহরীর সূত্রে এবং তিনি সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাবের সূত্রে নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নাম উল্লেখ করে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তারা নিজ নিজ সনদে আবূ হুরাইরাহর উল্লেখ করেননি। তাছাড়া হাদীস শাস্ত্রে সালিহ ইবনু আবী আখযার দুর্বল। ইয়াহইয়া ইবনু সা‘ঈদ আল-কাত্তান প্রমুখ তাকে স্মরণ শক্তির দিক হতে দুর্বল বলেছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন