৪৪/৭৯. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৩৪২ - জোড়-বেজোড় নামাজের ব্যাখ্যা
সূরা আল-ফাজর
জোড় ও বেজোড় নামাজ: সূরা ফাজরের আয়াতের সহজ ব্যাখ্যা
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৩৪২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৩৪২
حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ، عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، وَأَبُو دَاوُدَ قَالاَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ عِصَامٍ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ عَنِ الشَّفْعِ وَالْوَتْرِ فَقَالَ " هِيَ الصَّلاَةُ بَعْضُهَا شَفْعٌ وَبَعْضُهَا وَتْرٌ " . قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ قَتَادَةَ . وَقَدْ رَوَاهُ خَالِدُ بْنُ قَيْسٍ الْحُدَّانِيُّ عَنْ قَتَادَةَ أَيْضًا .
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) “জোড় ও বেজোড়” (সূরাঃ আল- ফাজর-৩) প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসিত হয়ে বলেনঃ তা নামায, যার (রাক’আত সংখ্যা) কিছু জোড় এবং কিছু বেজোড়।
আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু কাতাদার রিওয়ায়াত হিসেবে এ হাদীস জেনেছি। খালিদ ইবনু কাইসও কাতাদা হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৩৪২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় নামাজ। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-কে সূরা আল-ফাজরের জোড় ও বেজোড় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, তা নামাজ; যার কিছু রাকাত জোড় এবং কিছু রাকাত বেজোড়। হাদিসটি ছোট, কিন্তু নামাজের রাকাত বোঝার জন্য খুব সহজ একটি দিক দেখায়। ইসলামে নামাজ শুধু একটি কাজ নয়; এর গঠনেও শিক্ষা আছে। দুই রাকাত, চার রাকাতের মতো জোড় রাকাত আছে, আবার বিতরের মতো বেজোড় রাকাতও আছে। এখানে অতিরিক্ত ব্যাখ্যায় না গিয়ে হাদিসের সরল বক্তব্যই যথেষ্ট: জোড়-বেজোড়ের একটি অর্থ নামাজের রাকাতের মধ্যেও পাওয়া যায়। তাই জোড় ও বেজোড় নামাজ নিয়ে জানার সময় এই বর্ণনাটি গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নামাজে জোড় ও বেজোড়—দুই ধরনের রাকাতের ধরন আছে।
- কুরআনের আয়াত বোঝার জন্য নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ব্যাখ্যা অনুসরণ করা জরুরি।
- ছোট হাদিসও নামাজের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক পরিষ্কার করতে পারে।
- বিতর নামাজ বেজোড় রাকাতের একটি পরিচিত উদাহরণ।
