৪৫/৯০. অধ্যায়ঃ
(রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বেশী বেশী যে দোয়া পাঠ করতেন)
জামে তিরমিযী : ৩৫২২
জামে তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৫২২
حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ مُعَاذٍ، عَنْ أَبِي كَعْبٍ، صَاحِبِ الْحَرِيرِ حَدَّثَنِي شَهْرُ بْنُ حَوْشَبٍ، قَالَ قُلْتُ لأُمِّ سَلَمَةَ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ مَا كَانَ أَكْثَرُ دُعَاءِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ عِنْدَكِ قَالَتْ كَانَ أَكْثَرُ دُعَائِهِ " يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ " . قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا لأَكْثَرِ دُعَائِكَ يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ قَالَ " يَا أُمَّ سَلَمَةَ إِنَّهُ لَيْسَ آدَمِيٌّ إِلاَّ وَقَلْبُهُ بَيْنَ أُصْبُعَيْنِ مِنْ أَصَابِعِ اللَّهِ فَمَنْ شَاءَ أَقَامَ وَمَنْ شَاءَ أَزَاغَ " . فَتَلاَ مُعَاذٌ : ( ربَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا ) قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَائِشَةَ وَالنَّوَّاسِ بْنِ سَمْعَانَ وَأَنَسٍ وَجَابِرٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَنُعَيْمِ بْنِ هَمَّارٍ . قَالَ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ .
শাহর ইবনু হাওশাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
উম্মু সালামা (রাঃ)-কে আমি বললাম, হে উম্মুল মুমিনীন! রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আপনার কাছে অবস্থানকালে অধিকাংশ সময় কোন দোয়াটি পাঠ করতেন? তিনি বললেন, তিনি অধিকাংশ সময় এ দোয়া পাঠ করতেনঃ ‘‘ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত কালবি ‘আলা দ্বীনিক’’ (হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ)।”উম্মু সালামা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি অধিকাংশ সময় “ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত কালবি ‘আলা দ্বীনিক’’ (হে মনের পরিবর্তনকারী! আমার মনকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখ) দোয়াটি কেন পাঠ করেন? তিনি বললেনঃ “হে উম্মু সালামা! এরূপ কোন মানুষ নেই যার মন আল্লাহ তা’আলার দুই আঙ্গুলের মধ্যবর্তীতে অবস্থিত নয়। যাকে ইচ্ছা তিনি (দ্বীনের উপর) স্থির রাখেন এবং যাকে ইচ্ছা (দ্বীন হতে) বিপথগামী করে দেন।”তারপর অধস্তন বর্ণনাকারী মু’আয (রহঃ) কুরআনের এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ): “হে আমাদের রব! আমাদেরকে সঠিক পথে পরিচালিত করার পর তুমি আমাদের অন্তরসমূহকে বাঁকা করে দিও না।”
সহীহ : যিলালুল জান্নাহ (হা: ২২৩)।
