৪৬/৩৮. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮০৯ - ইবনু উম্মি আবদকে নেতা করার ইঙ্গিত
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর মর্যাদা
ইবনু উম্মি আবদ রাঃ: নেতৃত্বের আস্থাভাজন সাহাবী
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৩৮০৯
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৩৮০৯
حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْحَارِثِ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «لَوْ كُنْتُ مُؤَمِّرًا أَحَدًا مِنْ غَيْرِ مَشُورَةٍ لأَمَّرْتُ ابْنَ أُمِّ عَبْدٍ».
আলী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমি পরামর্শ ছাড়া কাউকে নেতার পদ দিলে ইবনু উম্মি আব্দকেই নেতার পদ দিতাম।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৩৮০৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি আগের বর্ণনার কাছাকাছি অর্থ বহন করে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তিনি যদি পরামর্শ ছাড়া কাউকে নেতার পদ দিতেন, তাহলে ইবনু উম্মি আবদকেই দিতেন। এতে আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর মর্যাদা ও আস্থার জায়গা স্পষ্ট হয়। তবে এখানে সরাসরি তাঁকে নেতা করা হয়নি; বরং সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। মূল শিক্ষা হলো, নেতৃত্ব এমন ব্যক্তির হাতে থাকা ভালো, যার জ্ঞান, চরিত্র ও দ্বীনি অবস্থান দৃঢ়। একই সঙ্গে পরামর্শের প্রসঙ্গও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে পরামর্শ ছাড়া নিয়োগের কথা শর্ত হিসেবে এসেছে, যা বোঝায় যে সাধারণভাবে পরামর্শকে অবহেলা করা হয়নি। ইসলামে নেতৃত্ব, যোগ্যতা এবং সাহাবীদের মর্যাদা বোঝার জন্য এই হাদিসটি সহজ কিন্তু গভীর শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নেতৃত্বে আস্থাভাজন ও যোগ্য ব্যক্তিকে মূল্যায়ন করা দরকার।
- ইবনু মাসউদ (রাঃ)-এর মর্যাদা নবী صلى الله عليه وسلم-এর কথায় প্রকাশ পেয়েছে।
- হাদিসের শর্তযুক্ত ভাষা বুঝে ব্যাখ্যা করা উচিত।
- পরামর্শের বিষয়কে সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
