২/১৮১. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৪০০ - জুতা পরে নামাজ পড়া সম্পর্কে হাদিস
জুতা পরে নামাজ আদায় করা
জুতা পরে নামাজ পড়া: আনাস (রাঃ)-এর সংক্ষিপ্ত উত্তর
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৪০০
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৪০০
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ أَبِي مَسْلَمَةَ، قَالَ قُلْتُ لأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ أَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ يُصَلِّي فِي نَعْلَيْهِ قَالَ نَعَمْ . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي حَبِيبَةَ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَعَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ وَشَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ وَأَوْسٍ الثَّقَفِيِّ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَعَطَاءٍ رَجُلٍ مِنْ بَنِي شَيْبَةَ . قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَنَسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ .
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কি জুতা পরে নামাজ আদায় করেছিলেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ।
এ অনুচ্ছেদে ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ, ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ হাবীবা, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর, ‘আমর ইবনু হুরাইস, সাদ্দাদ ইবনু আওস, আওস আস-সাকাফী, আবূ হুরায়রা ও ‘আতা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ‘ঈসা বলেনঃ আনাসের হাদীসটি হাসান সহীহ্। আলিমগণ এ হাদীসের সমর্থনে সমাধান গ্রহণ করেছেন (জুতা পরা অবস্থায় নামাজ আদায় করা বৈধ, যদি তাতে নাপাক না থাকে)।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৪০০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাঈদ ইবন ইয়াযীদ আবূ মাসলামা (রহ.) আনাস ইবন মালিক (রাঃ)-কে প্রশ্ন করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কি জুতা পরে নামাজ আদায় করেছিলেন? আনাস (রাঃ) উত্তর দেন, হ্যাঁ। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু বিষয়টি পরিষ্কার করে। এতে শুধু এতটুকু বলা হয়েছে যে, নবী (صلى الله عليه وسلم) জুতা পরে নামাজ পড়েছেন। এখানে জুতার অবস্থা, স্থান বা অন্য বিস্তারিত শর্ত আলাদা করে বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কিছু যোগ না করে বলা যায়, এই হাদিস জুতা পরে নামাজ পড়ার একটি বর্ণিত ঘটনা জানায়। বর্ণনার শেষে আবূ ঈসা বলেন, আনাস (রাঃ)-এর হাদিস হাসান সহীহ এবং আলিমদের আমলও এ বিষয়ে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) জুতা পরে নামাজ পড়েছেন—এটি আনাস (রাঃ) নিশ্চিত করেছেন।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়।
- হাদিসে যা বলা হয়েছে, ব্যাখ্যায় তার বাইরে বাড়িয়ে বলা উচিত নয়।
- নামাজের বিভিন্ন অবস্থার বর্ণনা সাহাবীরা সংরক্ষণ করেছেন।
