৬/৩৪. অধ্যায়ঃ

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৩১ - নফল রোজা ভাঙলে ক্ষতি আছে কি

নফল রোযা ভেঙ্গে ফেলা প্রসঙ্গে

নফল রোজা ভাঙলে কী হয়: উম্মু হানীর ঘটনা

জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৭৩১

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنِ ابْنِ أُمِّ هَانِئٍ، عَنْ أُمِّ هَانِئٍ، قَالَتْ كُنْتُ قَاعِدَةً عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ فَأُتِيَ بِشَرَابٍ فَشَرِبَ مِنْهُ ثُمَّ نَاوَلَنِي فَشَرِبْتُ مِنْهُ فَقُلْتُ إِنِّي أَذْنَبْتُ فَاسْتَغْفِرْ لِي . فَقَالَ «وَمَا ذَاكِ» . قَالَتْ كُنْتُ صَائِمَةً فَأَفْطَرْتُ . فَقَالَ «أَمِنْ قَضَاءٍ كُنْتِ تَقْضِينَهُ» . قَالَتْ لاَ . قَالَ «فَلاَ يَضُرُّكِ " . قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَعَائِشَةَ .

উম্মু হানী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকটে আমি বসা ছিলাম। তাঁর কাছে কিছু শরবত নিয়ে আসা হল। তা হতে তিনি পান করলেন, তারপর আমাকে তা দিলেন। আমিও তা হতে কিছু পান করলাম। আমি বললাম, আমি তো অপরাধ করে ফেলেছি। আপনি আমার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন। তিনি বললেনঃ তা কিভাবে? আমি বললাম, আমি রোজা রেখেছিলাম, তা ভেঙ্গে ফেলেছি। তিনি বললেনঃ তুমি কোন রোজার কাযা আদায় করছিলে কি? তিনি বললেন, না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তাহলে এতে তোমার কোন ক্ষতি নেই।

আবূ সাঈদ ও আইশা (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৩১-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে উম্মু হানী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে বসা ছিলেন। পানীয় এলে নবী (صلى الله عليه وسلم) পান করেন এবং তাঁকেও দেন। তিনি পান করার পর জানান, তিনি রোজা রেখেছিলেন এবং এখন তা ভেঙে গেছে। তখন রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) প্রথমে জানতে চান, এটি কি কোনো রোজার কাজা ছিল। তিনি ‘না’ বললে নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেন, এতে তাঁর কোনো ক্ষতি নেই। ঘটনাটি নফল রোজা ও বাধ্যতামূলক কাজা রোজার পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে। এখানে মূল সিদ্ধান্তটি প্রশ্নের মাধ্যমে পরিষ্কার হয়েছে: রোজাটি কাজা ছিল কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। তাই ‘নফল রোজা ভাঙলে কী হয়’ প্রশ্নের উত্তরে এই বর্ণনা স্বেচ্ছামূলক রোজার সহজতার দিক দেখায়। তবে হাদিসটি সব ধরনের রোজা ইচ্ছামতো ভাঙার অনুমতি দেয় না; বরং কাজা না হওয়া রোজার নির্দিষ্ট ঘটনা তুলে ধরে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবী (صلى الله عليه وسلم) প্রথমে জানতে চেয়েছেন রোজাটি কাজা ছিল কি না।
  • কাজা না হওয়ায় উম্মু হানী (রাঃ)-কে ক্ষতি নেই বলা হয়েছে।
  • নফল রোজা ও বাধ্যতামূলক রোজাকে একই নিয়মে দেখা ঠিক নয়।
  • কোনো বিধান বোঝার আগে ঘটনার ধরন জানা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন