৬/৬৪. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৮১ - দাওয়াতে রোজাদারের ভদ্র উত্তর
রোযা থাকাবস্থায় দাওয়াত গ্রহণ করা
খাবারের দাওয়াত পেলে রোজাদার কী বলবে
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৭৮১
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৭৮১
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ وَهُوَ صَائِمٌ فَلْيَقُلْ إِنِّي صَائِمٌ ". قَالَ أَبُو عِيسَى وَكِلاَ الْحَدِيثَيْنِ فِي هَذَا الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ حَسَنٌ صَحِيحٌ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ তোমাদের কোন রোজাদারকে যদি খাবারের দাওয়াত দেওয়া হয় তাহলে সে যেন বলে, আমি রোজা আছি।
আবূ ঈসা (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত উভয় হাদীসকেই হাসান সহীহ্ বলেছেন।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৭৮১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রোজাদারের শিষ্টাচার। কোনো রোজাদারকে খাবারের দাওয়াত দেওয়া হলে তিনি যেন সরাসরি বলেন, “আমি রোজা আছি।” এতে দাওয়াতদাতা সহজে বুঝতে পারেন কেন তিনি খাবার গ্রহণ করছেন না। কথাটি ছোট, পরিষ্কার এবং ভদ্র। এখানে অপ্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা, অজুহাত বা কাউকে বিব্রত করার কথা বলা হয়নি। তাই খাবারের দাওয়াত পেলে রোজাদারের করণীয় হলো নিজের অবস্থা শান্তভাবে জানানো। এই নির্দেশ রোজা গোপন রাখার সাধারণ নীতির বিরোধী নয়; কারণ এখানে প্রয়োজনের কারণে তথ্যটি বলা হচ্ছে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইবাদত পালন করতে গিয়ে সামাজিক সৌজন্যও বজায় রাখা যায়। রোজাদার দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করবেন রুক্ষভাবে নয়, বরং সহজ ভাষায় নিজের রোজার কথা বলবেন। এতে ভুল বোঝাবুঝি কমে এবং সম্পর্কও সুন্দর থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- খাবারের দাওয়াত পেলে রোজাদার নিজের রোজার কথা স্পষ্টভাবে জানাতে পারেন।
- উত্তরটি ছোট, ভদ্র ও সরাসরি হওয়া উচিত।
- ইবাদত পালনের পাশাপাশি সামাজিক সৌজন্য বজায় রাখা যায়।
