৭/১১৪. অধ্যায়ঃ
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৯৬২ - ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধিহীন তেল ব্যবহার
(জমজমের পানি বহন করা প্রসঙ্গে)
ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধিহীন তেল ব্যবহারের হাদিস
জামে‘ আত-তিরমিযী : ৯৬২
জামে‘ আত-তিরমিযীহাদিস নম্বর ৯৬২
حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ فَرْقَدٍ السَّبَخِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ كَانَ يَدَّهِنُ بِالزَّيْتِ وَهُوَ مُحْرِمٌ غَيْرَ الْمُقَتَّتِ . قَالَ أَبُو عِيسَى الْمُقَتَّتُ الْمُطَيَّبُ . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ فَرْقَدٍ السَّبَخِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ. وَقَدْ تَكَلَّمَ يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ فِي فَرْقَدٍ السَّبَخِيِّ وَرَوَى عَنْهُ النَّاسُ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইহ্রাম অবস্থায় সুগন্ধিহীন তেল ব্যবহার করতেন।
আবূ ঈসা বলেন, ‘মুক্বাত্তাত’ অর্থ সুগন্ধযুক্ত। তিনি আরও বলেন, এই হাদীসটি গারীব। ফারকাদ আস-সাবাখী হতে সাঈদ ইবনু জুবাইর-এর সূত্রেই শুধু মাত্র আমরা এই হাদীস প্রসঙ্গে জেনেছি। ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) ফারকাদ আস-সাবাখীর সমালোচনা করেছেন। কিন্তু তার বরাতে লোকেরা হাদীস বর্ণনা করেছে।
জামে‘ আত-তিরমিযী হাদিস ৯৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় ইহরাম অবস্থায় তেল ব্যবহার। বর্ণনায় বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ইহরাম অবস্থায় এমন তেল ব্যবহার করতেন যাতে সুগন্ধি মেশানো ছিল না। হাদিসের আরবি অংশের ব্যাখ্যায়ও স্পষ্ট করা হয়েছে যে নিষেধের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়টি হলো সুগন্ধিযুক্ত তেল। অর্থাৎ এখানে সাধারণ তেল ও সুগন্ধি তেলের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়। তবে এই হাদিস থেকে ইহরামের সব বিধান নির্ধারণ করা ঠিক হবে না, কারণ বর্ণনাটি কেবল নবী صلى الله عليه وسلم-এর সুগন্ধিহীন তেল ব্যবহারের ঘটনাই জানাচ্ছে। ইহরাম অবস্থায় তেল ব্যবহার সম্পর্কে খোঁজ করা মানুষ এই হাদিস থেকে জানতে পারেন যে রাসূল صلى الله عليه وسلم সুগন্ধি ছাড়া তেল ব্যবহার করেছেন। হজ বা ওমরার সময় ব্যবহারযোগ্য পণ্য বাছাইয়ে এই তথ্য মনে রাখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধিহীন তেল ব্যবহার করেছেন।
- সুগন্ধিহীন তেল ও সুগন্ধিযুক্ত তেলের মধ্যে পার্থক্য রাখা দরকার।
- ইহরামের সময় ব্যবহৃত তেলের উপাদান ও ঘ্রাণ সম্পর্কে সচেতন থাকা ভালো।
- হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, ব্যাখ্যাতেও ততটুকুর মধ্যে থাকা উচিত।
