১১/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ১৪০ - শিরক থেকে বাঁচার গুরুত্ব
শিরক
শিরক থেকে বাঁচা: জান্নাত ও জাহান্নাম বিষয়ে হাদিসের শিক্ষা
ঊপদেশ : ১৪০
ঊপদেশহাদিস নম্বর ১৪০
عَنْ جَابِرٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ : مَنْ مَاتَ يُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئًا دَخَلَ النَّارَ وَمَنْ مَاتَ لاَ يُشْرِكُ بِاللهِ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ.
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে বিন্দুমাত্র শরীক করবে সে জাহান্নামে যাবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে বিন্দুমাত্র শরীক করবে না সে জান্নাতে যাবে’
(মুসলিম, মিশকাত, বাংলা মিশকাত ১ম খণ্ড হা/৩৪, ‘ঈমান’ অধ্যায় হা/৩৮)।
ঊপদেশ হাদিস ১৪০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো শিরক ও তাওহীদ। রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে বিন্দুমাত্র শরীক করে মারা যাবে, সে জাহান্নামে যাবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে বিন্দুমাত্র শরীক না করে মারা যাবে, সে জান্নাতে যাবে। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু ঈমানের মূল কথা স্পষ্ট করে। এখানে “মারা যাবে” কথাটি গুরুত্বপূর্ণ; অর্থাৎ মানুষের শেষ অবস্থা ও ঈমানের অবস্থা বড় বিষয়। তাই ব্যাখ্যায় কারও নির্দিষ্ট পরিণাম নিয়ে কথা বলা উচিত নয়; বরং নিজের শিরকমুক্ত ঈমান রক্ষা করার শিক্ষা নেওয়া উচিত। তাওহীদ মানে আল্লাহকে একমাত্র রব, ইলাহ ও উপাস্য হিসেবে মানা। মুমিনের দোয়া হওয়া উচিত, আল্লাহ যেন তাকে শিরক থেকে বাঁচিয়ে রাখেন এবং শুদ্ধ ঈমানের ওপর মৃত্যু দেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শিরক ঈমানের সবচেয়ে বড় বিপদ।
- তাওহীদের ওপর মৃত্যু জান্নাত লাভের কারণ হিসেবে হাদিসে এসেছে।
- নিজের ঈমান শিরকমুক্ত রাখার চেষ্টা করা জরুরি।
- অন্যের পরিণাম নিয়ে রায় না দিয়ে নিজের সংশোধনে মন দেওয়া উচিত।
