১১/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ১৫১ - কবরকে মসজিদ বানানো থেকে সতর্কতা
শিরক
কবরকে মসজিদ বানানো: শেষ অসুখের গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
ঊপদেশ : ১৫১
ঊপদেশহাদিস নম্বর ১৫১
عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ فِيْ مَرَضِهِ الَّذِي لَمْ يَقُمْ مِنْهُ لَعَنَ اللهُ الْيَهُوْدَ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُوْرَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) তাঁর জীবনের শেষ অসুখে বলেছিলেন, ‘ইহুদী-খৃষ্টানদের উপর আল্লাহর অভিশাপ। তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছিল’
(বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৭১২ বঙ্গানুবাদ মিশকাত ২য় খণ্ড হা/৬৫৯ ‘মসজিদসমূহ ও সালাতের স্থান’ অনুচ্ছেদ)।
ঊপদেশ হাদিস ১৫১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনের শেষ অসুখে একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ইহুদী-খৃষ্টানদের উপর আল্লাহর অভিশাপ; তারা তাদের নবীদের কবরকে মসজিদ বানিয়ে নিয়েছিল। হাদিসের সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শেষ অসুখে বলা কথা সাধারণত বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এখানে মূল শিক্ষা হলো কবরকে ইবাদতের জায়গা বানানো থেকে বাঁচা। নবীদের প্রতি সম্মান থাকবে, কিন্তু সেই সম্মান যেন কবরকে কেন্দ্র করে ইবাদতের রূপ না নেয়। কবরকে মসজিদ বানানো মানুষের বিশ্বাসকে তাওহীদ থেকে সরিয়ে দিতে পারে। তাই ইবাদত হবে শুধু আল্লাহর জন্য, আল্লাহর শেখানো পদ্ধতিতে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কবরকে মসজিদ বানানো থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
- নবী ও নেককারদের সম্মান ইবাদতের সীমা ছাড়াতে পারে না।
- শেষ জীবনে নবীজির বলা সতর্কতাকে গুরুত্ব দিতে হবে।
- ইবাদতের জায়গা ও কবরের সীমা আলাদা রাখা দরকার।
