৪/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৪১ - হারাম উপার্জনের ভয়াবহ পরিণতি
হালাল ও হারাম
হালাল রুজি ও হারাম উপার্জন: মুমিনের জীবনে সতর্কতার শিক্ষা
ঊপদেশ : ৪১
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৪১
عَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ: لَا يَدْخُلُ الْجَنَّةَ لَحْمٌ نبَتَ منَ السُّحْتِ وكلُّ لحمٍ نبَتَ منَ السُّحْتِ كَانَتِ النَّارُ أَوْلَى بِهِ.
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘যে দেহের গোশত হারাম মালে গঠিত, তা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। হারাম মালে গঠিত দেহের জন্য জাহান্নামই সমীচীন’
(আহমাদ, দারেমী, বায়হাক্বী, শু’আবুল ঈমান, মিশকাত হা/২৭৭২)।
ঊপদেশ হাদিস ৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হারাম উপার্জন সম্পর্কে খুব স্পষ্ট সতর্কতা এসেছে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে দেহের গোশত হারাম মালে গঠিত, তা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। কথাটি আমাদের খাবার, আয়, ব্যবসা ও লেনদেন নিয়ে ভাবতে শেখায়। শুধু টাকা হাতে এলেই তা ভালো হয়ে যায় না; টাকা কোথা থেকে এল, সেটাও বড় বিষয়। হালাল রুজি মুমিনের জীবনকে নিরাপদ পথে রাখে। আর হারাম মাল শরীরকে পুষ্ট করলেও তা আখিরাতের জন্য ভয়ংকর ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, আয়-রোজগারে সাবধান থাকা, সন্দেহজনক পথ এড়িয়ে চলা এবং নিজের পরিবারকে হালাল খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হারাম উপার্জনে গড়া দেহের জন্য হাদিসে কঠিন সতর্কতা এসেছে।
- খাবার ও আয় হালাল কি না, তা মুমিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- পরিবারকে হালাল রুজি খাওয়ানো ঈমানি দায়িত্বের অংশ।
- মাল বেশি হওয়া নয়, মাল হালাল হওয়াই আসল নিরাপত্তার পথ।
