৪/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৪৩ - গায়িকা কেনাবেচা ও হারাম মূল্য
হালাল ও হারাম
গায়িকা ক্রয়-বিক্রয় ও হারাম উপার্জন নিয়ে হাদিসের শিক্ষা
ঊপদেশ : ৪৩
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৪৩
عَنْ أَبِيْ أُمَامَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ لَا تَبِيْعُوا الْقَيْنَاتِ وَلَا تَشْتَرُوهُنَّ وَلَا تُعَلِّمُوْهُنَّ وَثَمَنُهُنَّ حَرَامٌ وَفِيْ مِثْلِ هَذَا نَزَلَتْ ﴾وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِيْ لَهُوَ الحَديْثِ﴿.
আবূ উমামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘তোমরা গায়িকা ক্রয়-বিক্রয় করিও না, তার মূল্য হারাম। তাদেরকে গান শিক্ষা দিও না। এই শ্রেণীর কার্য যারা করে তাদের সম্পর্কেই পবিত্র কোরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে, ‘এক শ্রেণীর লোক আছে যারা রং-তামাশার গাথা (তথা গান) ক্রয় করে (তাদের জন্য লাঞ্ছনাময় শাস্তি রয়েছে)’
(আহমাদ, তিরমিযী, ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/২৭৮০)।
ঊপদেশ হাদিস ৪৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে গায়িকা ক্রয়-বিক্রয়, তাদের গান শেখানো এবং এ ধরনের কাজে পাওয়া মূল্য সম্পর্কে কঠোরভাবে নিষেধ এসেছে। হাদিসের ভাষায় তাদের মূল্য হারাম বলা হয়েছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, বিনোদনের নামে এমন কাজে জড়ানো থেকে বাঁচা যা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে নিতে পারে। অনুবাদে কুরআনের একটি আয়াতের কথাও এসেছে, যেখানে রং-তামাশার গাথা কেনার কথা বলা হয়েছে। তাই এই হাদিস শুধু গান-বাজনা নিয়ে নয়; বরং এমন আয়ের পথ নিয়েও সতর্ক করে, যা দ্বীন ও চরিত্রের ক্ষতি করতে পারে। একজন মুমিনের উচিত নিজের আয় ও বিনোদন—দুটো ক্ষেত্রেই আল্লাহভীতি রাখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গায়িকা ক্রয়-বিক্রয় ও গান শেখানোর বিষয়ে হাদিসে নিষেধ এসেছে।
- এ ধরনের কাজের মূল্যকে হাদিসে হারাম বলা হয়েছে।
- বিনোদন যেন দ্বীন থেকে দূরে নেওয়ার কারণ না হয়।
- আয়ের উৎস হালাল কি না, তা যাচাই করা জরুরি।
