৫/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৪৮ - মুনাফিককে নেতা বলা থেকে সতর্কতা
সত্য-মিথ্যা
মুনাফিককে নেতা বলা: সত্য, নেতৃত্ব ও ঈমানি সতর্কতার হাদিস
ঊপদেশ : ৪৮
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৪৮
عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ لاَ تَقُوْلُوْا لِلْمُنَافِقِ سَيِّدٌ فَإِنَّهُ إِنْ يَكُ سَيِّدًا فَقَدْ أَسْخَطْتُمْ رَبَّكُمْ عَزَّ وَجَلَّ.
বুরায়দাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘তোমরা মুনাফিক মানুষকে নেতা হিসাবে গ্রহণ কর না। যদি নেতা মুনাফিক হয়, তাহলে তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে অসন্তুষ্ট করলে। অন্য বর্ণনায় আছে যখন কোন ব্যক্তি মিথ্যুক মুনাফিক ব্যক্তিকে বলে, হে আমার নেতা! তখন সে তার প্রতিপালককে রাগান্বিত করল’
(আবুদাঊদ হা/৪৯৭৭; আত-তারগীব ওয়াত তারহীব হা/৪১৭৫)।
ঊপদেশ হাদিস ৪৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাফিক ব্যক্তিকে নেতা বা সাইয়িদ বলতে নিষেধ করেছেন। অনুবাদে এসেছে, যদি নেতা মুনাফিক হয়, তাহলে এতে প্রতিপালককে অসন্তুষ্ট করার কথা বলা হয়েছে। অন্য বর্ণনায় মিথ্যুক মুনাফিককে নেতা বলা নিয়েও কঠিন সতর্কতা এসেছে। হাদিসটি নেতৃত্বের ভাষা ও সম্মান দেওয়ার বিষয়ে আমাদের সতর্ক করে। সম্মান এমন কাউকে দেওয়া উচিত নয়, যার ভেতরে মুনাফিকি, মিথ্যা বা দ্বীনের বিরুদ্ধে আচরণ আছে। এর মানে সাধারণ আচরণে অশোভন হওয়া নয়; বরং নৈতিক সম্মান ও নেতৃত্বের আসন কাকে দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুনাফিক ব্যক্তিকে নেতৃত্বের সম্মান দেওয়ার বিষয়ে সতর্কতা এসেছে।
- মিথ্যুক ও দ্বিমুখী চরিত্রের মানুষকে অকারণে বড় করা উচিত নয়।
- নেতৃত্বের সম্মান নৈতিকতার সাথে জড়িত।
- কথার মাধ্যমে কাকে মর্যাদা দিচ্ছি, তা ভাবা দরকার।
