৫/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৫৯ - তিন শ্রেণীর কঠিন পরিণতি
সত্য-মিথ্যা
মিথ্যুক শাসকসহ তিন শ্রেণীর মানুষের কঠিন সতর্কতা
ঊপদেশ : ৫৯
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৫৯
عَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ ثَلَاثَةٌ لَا يُكَلِّمُهُمُ اللهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَلَا يُزَكِّيهِمْ. وَفِي رِوَايَةٍ: وَلَا يَنْظُرُ إِلَيْهِمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ: شَيْخٌ زَانٍ وَمَلِكٌ كَذَّابٌ وَعَائِلٌ مُسْتَكْبِرٌ.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, ‘আল্লাহ কেয়ামতের দিন তিন শ্রেণীর মানুষের সাথে কথা বলবেন না। তাদের পবিত্র করবেন না। তাদের দিকে দয়ার দৃষ্টিতে তাকাবেন না। তাদের জন্য রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি।(১) বৃদ্ধ ব্যভিচারকারী(২) মিথ্যুক শাসক(৩) অহংকারী গরীব’
(মুসলিম হা/১০৭; আত-তারগীব ওয়াত তারহীব হা/৪২১০; মিশকাত হা/৫১০৯)।
ঊপদেশ হাদিস ৫৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তিন শ্রেণীর মানুষের কথা এসেছে, যাদের ব্যাপারে কিয়ামতের দিন কঠিন সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। তারা হলো বৃদ্ধ ব্যভিচারকারী, মিথ্যুক শাসক এবং অহংকারী গরীব। হাদিসে বলা হয়েছে, আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদের পবিত্র করবেন না, দয়ার দৃষ্টিতে তাকাবেন না এবং তাদের জন্য কষ্টদায়ক শাস্তি রয়েছে। এখানে বিশেষভাবে মিথ্যুক শাসকের কথা আমাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতার জায়গায় সত্যের গুরুত্ব বুঝায়। যার হাতে নেতৃত্ব বা ক্ষমতা আছে, তার মিথ্যা শুধু নিজের ক্ষতি করে না; অন্যদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। আর অহংকার ও পাপ যেকোন অবস্থায় ভয়ংকর বিষয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মিথ্যুক শাসকের বিষয়ে হাদিসে কঠিন সতর্কতা এসেছে।
- ক্ষমতা থাকলে সত্যবাদিতা আরও বেশি জরুরি।
- অহংকার ও পাপ মানুষকে কঠিন পরিণতির দিকে নিতে পারে।
- বয়স, পদ বা দারিদ্র্য কোনো পাপকে হালকা করে না।
