৫/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৬৭ - মুখ ও লজ্জাস্থান হেফাজত
সত্য-মিথ্যা
মুখ ও লজ্জাস্থান হেফাজত: জান্নাতের আশার হাদিস
ঊপদেশ : ৬৭
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৬৭
عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ مَنْ يَضْمَنْ لِيْ مَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الْجَنَّةَ-
সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কাছে (এই অঙ্গীকার করবে যে, সে) তার দুই চোয়ালের মধ্যস্থিত বস্তুর এবং তার দু’পায়ের মধ্যস্থিত বস্তুর যিম্মাদার হবে, আমি তার জন্য জান্নাতের যিম্মাদার হব’
(বুখারী, বঙ্গানুবাদ মিশকাত হা/৪৬০১)।
ঊপদেশ হাদিস ৬৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم দুইটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের দায়িত্ব নেওয়ার কথা বলেছেন। এক হলো দুই চোয়ালের মাঝের বস্তু, অর্থাৎ জিহ্বা; আর অন্যটি দুই পায়ের মাঝের বস্তু, অর্থাৎ লজ্জাস্থান। যে এগুলোর যিম্মাদার হবে, রাসূল صلى الله عليه وسلم তার জন্য জান্নাতের যিম্মাদার হওয়ার কথা বলেছেন। এখানে মানুষের চরিত্রের দুই বড় দরজা বোঝানো হয়েছে—কথা ও কামনা। জিহ্বা দিয়ে মিথ্যা, গালি, কষ্টদায়ক কথা বা অন্যায় কথা হতে পারে। লজ্জাস্থান নিয়ন্ত্রণ না করলে অবৈধ সম্পর্কের দিকে মানুষ ঝুঁকে যেতে পারে। তাই এই হাদিস মুসলিমকে নিজের ভাষা ও শালীনতা নিয়ে সতর্ক থাকতে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জিহ্বা হেফাজত করা জান্নাতের আশার একটি বড় কারণ।
- লজ্জাস্থান হেফাজত করা চরিত্র রক্ষার অংশ।
- কথা ও কামনা—দুই ক্ষেত্রেই আত্মনিয়ন্ত্রণ দরকার।
- নিজের অঙ্গের দায়িত্ব নেওয়া ঈমানী শৃঙ্খলার অংশ।
