৭/১. অধ্যায়ঃ
ঊপদেশ হাদিস ৯৫ - যেনা, রেশম, মদ ও বাদ্যযন্ত্রকে হালাল ভাবার সতর্কতা
গান বাজনা
হারামকে হালাল মনে করা: মদ ও বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কে হাদিস
ঊপদেশ : ৯৫
ঊপদেশহাদিস নম্বর ৯৫
عَنْ أَبِيْ مَالِكِ الأَشْعَرِىِّ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ لَيَكُوْنَنَّ مِنْ أُمَّتِيْ أَقْوَامٌ يَسْتَحِلُّوْنَ الْحِرَ وَالْحَرِيْرَ وَالْخَمْرَ وَالْمَعَازِفَ.
বর্ণনাকারী হতে বর্ণিতঃ
রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ ‘অবশ্যই আমার পরে এমন কিছু লোক আসবে যারা যেনা, রেশম, নেশাদার দ্রব্য ও গান-বাজনা বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে’
(বুখারী হা/৫৫৯০)।
ঊপদেশ হাদিস ৯৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ভবিষ্যতের একটি বিপদের কথা বলেছেন। তাঁর উম্মতের কিছু লোক যেনা, রেশম, নেশাদার দ্রব্য এবং গান-বাজনা-বাদ্যযন্ত্রকে হালাল মনে করবে। এখানে সবচেয়ে বড় সতর্কতা হলো—হারামকে শুধু করা নয়, বরং সেটিকে হালাল মনে করা। মানুষ কখনও নিজের পছন্দ, সমাজের চাপ বা আনন্দের নামে সীমা বদলাতে চায়। কিন্তু হাদিসটি জানায়, আল্লাহর বিধানকে নিজের ইচ্ছামতো বদলানো বড় ঝুঁকির বিষয়। মদ ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে এই হাদিসটি বাংলায় অনেক খোঁজা হয়, কারণ এটি সরাসরি চারটি বড় সামাজিক ফিতনার নাম উল্লেখ করে। মুমিনের কাজ হলো সত্যকে সত্য বলা এবং হারাম থেকে বাঁচা। তাই মুমিনের উচিত জনপ্রিয় সংস্কৃতি নয়, হাদিসের নির্দেশকে নিজের মাপকাঠি বানানো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হারামকে হালাল মনে করা গুরুতর সতর্কতার বিষয়।
- মদ ও বাদ্যযন্ত্র হাদিসে একসাথে উল্লেখ হয়েছে।
- সমাজের প্রচলন দিয়ে আল্লাহর বিধান বদলায় না।
- নিজের পছন্দের ওপর দ্বীনের নির্দেশকে প্রাধান্য দিতে হবে।
