২/২৬. অধ্যায়ঃ
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ৩১ - জুমআয় আগে আসার ফজিলত
জুমআ‘র জন্য সকাল সকাল আসা
জুমআয় আগে আসা: ফেরেশতাদের নাম লেখার বর্ণনা
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস : ৩১
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীসহাদিস নম্বর ৩১
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “জুমআ’র দিনে মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করে আগে আসার ক্রমানুসারে আগমনকারীদের নাম লিখতে থাকেন। আর যে সবার আগে আসে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে একটি গাভী কুরবানী করে। এরপর আগমনকারী তার মত, যে একটি দুম্বা কুরবানী করে। তারপর যে আসে সে হলো, (আল্লাহ্র উদ্দেশ্যে) মুরগী জবাইকারীর ন্যায়। এরপর যে আসে সে হলো, একটি ডিম দানকারীর ন্যায়। অতঃপর ইমাম যখন উপস্থিত হয়, তখন তাঁরা (ফেরেশতারা) তাঁদের দফতর গুটিয়ে নিয়ে মনোযোগ সহকারে খুৎবা শুনতে লাগেন।” (বুখারী ৯২৯, মুসলিম ৮৫০)
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- হাদিস প্রজেক্ট টীম কতৃক সংগৃহীত
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ৩১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো জুমআয় আগে মসজিদে আসার ফজিলত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জুমআর দিনে মসজিদের দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করেন এবং আগে আসার ক্রম অনুযায়ী আগমনকারীদের নাম লেখেন। হাদিসে আগে আসা ব্যক্তির দানের উদাহরণ গাভী, দুম্বা, মুরগী ও ডিমের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে। এরপর ইমাম উপস্থিত হলে ফেরেশতারা দফতর গুটিয়ে খুৎবা শুনতে থাকেন। এই হাদিস আমাদের শেখায়, জুমআর নামাযে দেরি না করে আগেভাগে আসা, খুৎবার গুরুত্ব বোঝা এবং মসজিদে উপস্থিতিকে মূল্যবান সময় হিসেবে দেখা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমআর দিনে আগে মসজিদে আসার বিশেষ ফজিলত আছে।
- ফেরেশতারা আগমনকারীদের নাম ক্রমানুসারে লেখেন।
- ইমাম আসার পর খুৎবা মনোযোগ দিয়ে শোনার সময়।
- ইবাদতে আগে আসা আগ্রহ ও যত্নের পরিচয় দেয়।
