৩/৩. অধ্যায়ঃ
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ৩৮ - রমযানের কিয়াম ও ক্ষমা
রমযান মাসে তারাবীর নামায পড়া
রমযানের কিয়াম: ঈমান ও সওয়াবের আশায় তারাবীহ
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস : ৩৮
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীসহাদিস নম্বর ৩৮
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও নেকীর আশায় রমজানের কিয়াম করে (তারাবীর নামাজ পড়ে), তার পূর্বেকার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।”
(বুখারী ৩৭, মুসলিম ৭৫৬)
১০০ সুসাব্যস্ত হাদীস হাদিস ৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো রমযানের কিয়াম বা তারাবীহ নামায। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে এবং নেকীর আশায় রমযানের কিয়াম করে, তার পূর্বেকার গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। এখানে দুটি বিষয় স্পষ্ট—ঈমান এবং নেকীর আশা। অর্থাৎ আমল শুধু বাহ্যিকভাবে নয়, অন্তরের নিয়তসহ হওয়া দরকার। রমযানের রাতের নামাযকে এই হাদিসে বড় ফজিলতের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে হাদিসের ভাষা অনুযায়ী কথা বলা জরুরি; এখানে রমযানের কিয়ামের ফজিলত বলা হয়েছে, অন্য কোনো অতিরিক্ত শর্ত যোগ করা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমযানের কিয়াম ঈমানের সঙ্গে করা দরকার।
- নেকীর আশায় আমল করলে তার বিশেষ ফজিলত আছে।
- রমযানের রাতের নামায গোনাহ মাফের কারণ হতে পারে।
- আমলের মূল্য নিয়ত ও ঈমানের সঙ্গে জড়িত।
