সফরকালীন সালাত
৪/১. অধ্যায়ঃ
মুসাফিরের সালাত
সুনানে আবু দাউদ : ১১৯৮
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ১১৯৮
حَدَّثَنَا الْقَعْنَبِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ فُرِضَتِ الصَّلاَةُ رَكْعَتَيْنِ رَكْعَتَيْنِ فِي الْحَضَرِ وَالسَّفَرِ فَأُقِرَّتْ صَلاَةُ السَّفَرِ وَزِيدَ فِي صَلاَةِ الْحَضَرِ .
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবাসে ও সফরে সালাত দুই দুই রাকাত করে ফরজ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সফরের সালাত ঠিক রাখা হয় এবং আবাসের সালাত বৃদ্ধি করা হয়।
সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
সুনানে আবু দাউদ : ১১৯৯
সুনানে আবু দাউদহাদিস নম্বর ১১৯৯
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ، وَمُسَدَّدٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، ح وَحَدَّثَنَا خُشَيْشٌ، - يَعْنِي ابْنَ أَصْرَمَ - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، قَالَ حَدَّثَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي عَمَّارٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَيْهِ، عَنْ يَعْلَى بْنِ أُمَيَّةَ، قَالَ قُلْتُ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ أَرَأَيْتَ إِقْصَارَ النَّاسِ الصَّلاَةَ وَإِنَّمَا قَالَ تَعَالَى { إِنْ خِفْتُمْ أَنْ يَفْتِنَكُمُ الَّذِينَ كَفَرُوا } فَقَدْ ذَهَبَ ذَلِكَ الْيَوْمُ . فَقَالَ عَجِبْتُ مِمَّا عَجِبْتَ مِنْهُ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " صَدَقَةٌ تَصَدَّقَ اللَّهُ بِهَا عَلَيْكُمْ فَاقْبَلُوا صَدَقَتَهُ " .
ইয়া'লা ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আজকাল লোকেরা যে সালাত কসর করে এ বিষয়ে আপনার অভিমত কি? কেননা মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ বলেছেন, "যদি তোমরা কাফিরদের হামলার আশঙ্কা করো তাহলে সালাত কসর হিসেবে আদায় করতে পারো" (সূরা ৪: ১০১)। কিন্তু বর্তমানে আশঙ্কা দূরীভূত হয়ে গেছে। উমর (রাঃ) বললেন, তুমি যে ব্যাপারে আশ্চর্যবোধ করছো, আমিও তাতে আশ্চর্যবোধ করেছিলাম। অতঃপর আমি এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেছেনঃ এটি একটি সদাকাহ, যা মহান আল্লাহ তোমাদেরকে দান করেছেন। সুতরাং তোমরা তাঁর অনুদান গ্রহণ করো।
সহীহঃ মুসলিম।
