২/২১৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৭৪ - জুমার ফজরে কোন সূরা পড়তেন
জুমুয়ার দিন ফজরের সালাতে যে সূরা পড়বে
জুমার দিনের ফজরে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর কিরাত
সুনানে আবূ দাউদ : ১০৭৪
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১০৭৪
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ مُخَوَّلِ بْنِ رَاشِدٍ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ كَانَ يَقْرَأُ فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ تَنْزِيلَ السَّجْدَةِ وَ ﴾ هَلْ أَتَى عَلَى الإِنْسَانِ حِينٌ مِنَ الدَّهْرِ ﴿ .
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জুমার দিন ফজরের সালাত সূরা তান্যীলুস সাজ্দাহ ও ‘হাল আতা ‘আলাল ইনসানি হীনুম্-মিনাদ্দাহরী’ পাঠ করতেন।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৭৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) জুমার দিন ফজরের সালাতে সূরা তানযীলুস সিজদা এবং সূরা হাল আতা আলাল ইনসান, অর্থাৎ সূরা দাহর, পাঠ করতেন। বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু জুমার দিনের ফজরের কিরাত সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। এখানে কোনো দীর্ঘ ব্যাখ্যা বা আলাদা কারণ উল্লেখ করা হয়নি; তাই ব্যাখ্যাও মূল পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট কিরাতের একটি আমল ছিল। জুমার ফজরের নামাজে কোন সূরা, সূরা সিজদা ও সূরা দাহর, এবং নবীর কিরাত বিষয়ে যারা জানতে চান তাদের জন্য এই হাদিস সরাসরি উত্তর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার দিন ফজরের সালাতে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দিষ্ট কিরাতের বর্ণনা আছে।
- সূরা সিজদা ও সূরা দাহর পাঠ করার কথা হাদিসে এসেছে।
- কিরাতের বিষয়ে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল জানা সালাত শেখার অংশ।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও গুরুত্বপূর্ণ আমল জানা যায়।
