২/২২৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৯৯ - বক্তব্যে শব্দচয়নের সতর্কতা
ধনুকের উপর ভর দিয়ে খুতবা দেয়া
বক্তব্যে সতর্ক শব্দচয়ন: খুতবার বড় আদব
সুনানে আবূ দাউদ : ১০৯৯
সুনানে আবূ দাউদহাদিস নম্বর ১০৯৯
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ سَعِيدٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ رُفَيْعٍ، عَنْ تَمِيمٍ الطَّائِيِّ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، أَنَّ خَطِيبًا، خَطَبَ عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ مَنْ يُطِعِ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَمَنْ يَعْصِهِمَا فَقَالَ «قُمْ - أَوِ اذْهَبْ - بِئْسَ الْخَطِيبُ أَنْتَ» .
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জনৈক বক্তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সামনে বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে বললোঃ মাঁই ইউতিয়িল্লাহা ওয়া রাসূলুহু ফাক্বাদ রশাদা ওয়া মাঁই ইয়া’সিহিমা”। “যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করলো সে সঠিক পথ পেলো। আর যে তাঁদের নাফরমানী করলো”। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ তুমি চলে যাও। তুমি অতিশয় নিকৃষ্ট বক্তা।
সুনানে আবূ দাউদ হাদিস ১০৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে একজন বক্তা রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সামনে বক্তব্য দিতে গিয়ে বলেন, যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করল সে সঠিক পথ পেল, আর যে তাঁদের অবাধ্য হলো। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাকে কঠোরভাবে বলেন, তুমি চলে যাও, তুমি খুব খারাপ বক্তা। হাদিসটি বক্তব্য, খুতবা ও দ্বীনি আলোচনায় শব্দচয়নের গুরুত্ব বোঝায়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, আল্লাহ ও রাসূলের কথা বলার সময় বাক্য গঠন সতর্ক হওয়া দরকার। দ্বীনের বক্তব্য শুধু সুন্দরভাবে বলা নয়; কথার অর্থও ঠিক থাকা চাই। বক্তা যত বড়ই হোক, ভুল ভাষা হলে তা সংশোধন করা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনি বক্তব্যে শব্দচয়ন খুব গুরুত্বপূর্ণ।
- আল্লাহ ও রাসূলের কথা বলার সময় অর্থের দিকে খেয়াল রাখতে হয়।
- ভুল বক্তব্য হলে তা সংশোধন করা নববী শিক্ষা।
- খুতবা বা বক্তব্যে শুধু আবেগ নয়, সঠিক ভাষাও দরকার।
